তীব্র ঠান্ডায় জবুথবু বদরগঞ্জে উপজেলা জনজীবন।

আপলোড সময় : ২৭-১২-২০২৫ ০৪:১৬:১১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-১২-২০২৫ ০৪:১৬:১১ অপরাহ্ন
রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর 

উত্তরের জেলা রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা  ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা না মিললেও শীতের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পুরো এলাকা। দিনের বেলায়ও অনেক সড়কে যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। তীব্র ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে বদরগঞ্জ উপজেলা 
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে  সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে দিনমজুর,  কৃষি শ্রমিক, রিকশা ও ভ্যানচালকদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রায় থমকে গেছে। ভোরে কাজে বের হতে না পারায় তাদের আয় বন্ধ হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার কাজ না থাকায় খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে  সড়কপথে চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নদী এলাকায় কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় মাছ ধরার জেলেদের কাজের  বিঘ্ন ঘটছে। এতে নৌকার মাঝিরা কয়েক দিন ধরে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে কৃষি কাজেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।

 উপজেলার কালুপাড়ার ইউনিয়ন পুটিমারি গ্রামে ইমরান হোসেন বলেন, ভোরে কাজে বের হলে হাত-পা শক্ত হয়ে আসে। কাজ নেই, আয় নেই, অথচ সংসার চালাতে হয়। এই শীতে তারা বড় বিপদে পড়েছেন। 

 পৌর শহরের বালুয়াভাটা গ্রামে  বাসিন্দা আছিয়া বেগম বলেন, তীব্র ঠান্ডায় গবাদিপশু নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছেন তারা। ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে ছাগলের গায়ে গরম কাপড় দিতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় মানুষ খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।

রিক্সাচালক মানিক মিয়া বলেন,পরিবারের ৮ সদস্য সংসার। অনেক ঠান্ডা নিয়ে  সকাল বেলা  কষ্ট করে রিকশা নিয়ে বের হই। কিন্তু কুয়াশা আর ঠান্ডা জন্য ঠিকমত ভাড়া হয়না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শীতের তীব্রতা বাড়লেও  এখনো পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র পৌঁছায়নি। সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। ফলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন চরাঞ্চলের দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ।

বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের   পরিষদের  প্যানেল চেয়ারম্যান মিজান আলী  বলেন, অনেক এলাকায় তীব্র শীতে ছিন্নমূল মানুষরা অনেক কষ্টে আছেন।সরকারি বরাদ্দ কম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নামে আসে।প্যানেল চেয়ারম্যানদের নামে আসে না।তাই এবিষয়ে সচিব ভাল বলতে পারবেন।




বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আশিকুল আরেফিন জানান, ঠান্ডা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বেড়েছে। শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে গরম কাপড় ব্যবহার ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি ফোন ধরেননা

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]