রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি), প্রতিনিধি
বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাহাড়ি ছাত্র–ছাত্রী কল্যাণ সমিতি (পাকস)-এর উদ্যোগে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়ি শিশু-কিশোরদের মাঝে শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজস্থলী উপজেলায় আয়োজিত কর্মসূচিতে দ্বিতীয়বারের মতো ছাইখ্যং পাড়া ও মদন কার্বারী পাড়া গ্রামের ৬০টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এছাড়া বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের গোয়ানছড়ি বৌদ্ধ বিহারের আবাসিক ২৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝেও শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ত্রিরতন চাকমার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিংম্রং মৌজার হেডম্যান মংলুসে মারমা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাইখ্যং মুখপাড়ার কার্বারী মুইসা অং মারমা, ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শুভাশিষ ভট্টাচার্য, কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, গাইন্দ্যা ইউনিয়নের ইউডিসি উদ্যোক্তা নিরন্তর তঞ্চঙ্গ্যা, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পাকসের নেতৃবৃন্দ জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং অভিভাবকদের মধ্যে শিক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। শিক্ষার আলোয় পাহাড়ের শিশুদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক—এই প্রত্যাশায় সংগঠনটির মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।
বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাহাড়ি ছাত্র–ছাত্রী কল্যাণ সমিতি (পাকস)-এর উদ্যোগে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়ি শিশু-কিশোরদের মাঝে শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজস্থলী উপজেলায় আয়োজিত কর্মসূচিতে দ্বিতীয়বারের মতো ছাইখ্যং পাড়া ও মদন কার্বারী পাড়া গ্রামের ৬০টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এছাড়া বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের গোয়ানছড়ি বৌদ্ধ বিহারের আবাসিক ২৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝেও শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ত্রিরতন চাকমার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিংম্রং মৌজার হেডম্যান মংলুসে মারমা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাইখ্যং মুখপাড়ার কার্বারী মুইসা অং মারমা, ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শুভাশিষ ভট্টাচার্য, কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, গাইন্দ্যা ইউনিয়নের ইউডিসি উদ্যোক্তা নিরন্তর তঞ্চঙ্গ্যা, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পাকসের নেতৃবৃন্দ জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং অভিভাবকদের মধ্যে শিক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। শিক্ষার আলোয় পাহাড়ের শিশুদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক—এই প্রত্যাশায় সংগঠনটির মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।