গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে জমি সংক্রান্ত জেরে জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশিদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের চৈয়ারকান্দা গ্রামে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি সোমবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। .
অভিযোগের বাদী চৈয়ারকান্দা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ জুয়েল মিয়া।
বিবাদীরা হলেন, একই গ্রামের আমছর আলীর ছেলে মোঃ রশিদ মিয়া, মৃত রজব আলীর ছেলে মোঃ সুজন মিয়া, মোঃ রশিদ মিয়ার ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সুজন মিয়ার স্ত্রী আঙ্গুরা।
ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া জানান, চৈয়ারকান্দা মৌজার ১০ শতাংশ জমি ১৯৭৯ সালে উল্লেখিত গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে আমছর আলী ও রজব আলী আমার মা মোসাম্মাৎ সাজেদা আক্তার খাতুনের কাছে আর.ও.আর রেকর্ডমূলে হেবা দানপত্র রেজিষ্ট্রি করে দেন। পরে বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত তাদের নাম না উঠে দাতার নামে উঠে।
তিনি আরও জানান, মায়ের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারী হিসেবে বিআরএস রেকর্ড সংশোধনের জন্য ২০২৩ সালে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ গৌরীপুর সহকারী জজ আদালতে মামলা চলমান থাকাবস্থায় তখন রাজনৈতিক ক্ষমতাবলে উল্লেখিত ভূমির বেদখলে নেন বাদীপক্ষ।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সকালে উল্লেখিত ভূমিতে থাকা তিনটি গাছ বিক্রয় করে দেয়। গাছ কাটতে বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে।
অভিযুক্ত মোঃ রশিদ মিয়া বলেন, যে জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আমি সে জায়গায় যাই নাই। আমি প্রকৃত যে জায়গা পাবো সেই জায়গায় গেছি। এটি আমার বাবার পৈতৃক ভিটা। গ্রামের লোকজন শালিস দরবার করে এক শতাংশ জায়গা মেপে গোরস্তানের জন্য ঠিক করে দেন। এই জায়গার মধ্যে আমার গাছ। আমার গাছ আমি কাটতে গেছি। তারা উল্টো আমাকে মারতে আসে। আমি তাদেরকে মারতে যাবো কেন ?
অভিযোগের বিষয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল হাসান বলেন, লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে জমি সংক্রান্ত জেরে জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশিদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের চৈয়ারকান্দা গ্রামে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি সোমবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। .
অভিযোগের বাদী চৈয়ারকান্দা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ জুয়েল মিয়া।
বিবাদীরা হলেন, একই গ্রামের আমছর আলীর ছেলে মোঃ রশিদ মিয়া, মৃত রজব আলীর ছেলে মোঃ সুজন মিয়া, মোঃ রশিদ মিয়ার ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সুজন মিয়ার স্ত্রী আঙ্গুরা।
ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া জানান, চৈয়ারকান্দা মৌজার ১০ শতাংশ জমি ১৯৭৯ সালে উল্লেখিত গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে আমছর আলী ও রজব আলী আমার মা মোসাম্মাৎ সাজেদা আক্তার খাতুনের কাছে আর.ও.আর রেকর্ডমূলে হেবা দানপত্র রেজিষ্ট্রি করে দেন। পরে বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত তাদের নাম না উঠে দাতার নামে উঠে।
তিনি আরও জানান, মায়ের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারী হিসেবে বিআরএস রেকর্ড সংশোধনের জন্য ২০২৩ সালে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ গৌরীপুর সহকারী জজ আদালতে মামলা চলমান থাকাবস্থায় তখন রাজনৈতিক ক্ষমতাবলে উল্লেখিত ভূমির বেদখলে নেন বাদীপক্ষ।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সকালে উল্লেখিত ভূমিতে থাকা তিনটি গাছ বিক্রয় করে দেয়। গাছ কাটতে বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে।
অভিযুক্ত মোঃ রশিদ মিয়া বলেন, যে জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আমি সে জায়গায় যাই নাই। আমি প্রকৃত যে জায়গা পাবো সেই জায়গায় গেছি। এটি আমার বাবার পৈতৃক ভিটা। গ্রামের লোকজন শালিস দরবার করে এক শতাংশ জায়গা মেপে গোরস্তানের জন্য ঠিক করে দেন। এই জায়গার মধ্যে আমার গাছ। আমার গাছ আমি কাটতে গেছি। তারা উল্টো আমাকে মারতে আসে। আমি তাদেরকে মারতে যাবো কেন ?
অভিযোগের বিষয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল হাসান বলেন, লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।