স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় অবৈধ জুয়া আয়োজনের ঘটনায় জব্দ করা একটি ষাঁড় সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলের দিকে প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। কেন্দুয়া থানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করে পাঁচ সদস্যের একটি নিলাম কমিটি।
নিলামে মোট ছয়জন দরদাতা অংশ নেন। সর্বোচ্চ দর হাঁকিয়ে ৯১ হাজার ৫৭৮ টাকা (২৫ শতাংশ ট্যাক্সসহ) মূল্যে ষাঁড়টি ক্রয় করেন কেন্দুয়া পৌর যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খান শান্তি। নিলামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর প্রদান করেন কেন্দুয়া থানা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাবুল শেখ।
এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সাখাওয়াত হোসেন তারেক, উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আল শাফিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। নিলাম কার্যক্রম তদারকি করেন কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী মাকসুদ।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর নওপাড়া ইউনিয়নের কাউরাট গ্রামের বেপারীপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭-এর ১১ ধারায় ষাঁড়টি জব্দ করে অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছিল।
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় অবৈধ জুয়া আয়োজনের ঘটনায় জব্দ করা একটি ষাঁড় সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলের দিকে প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। কেন্দুয়া থানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করে পাঁচ সদস্যের একটি নিলাম কমিটি।
নিলামে মোট ছয়জন দরদাতা অংশ নেন। সর্বোচ্চ দর হাঁকিয়ে ৯১ হাজার ৫৭৮ টাকা (২৫ শতাংশ ট্যাক্সসহ) মূল্যে ষাঁড়টি ক্রয় করেন কেন্দুয়া পৌর যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খান শান্তি। নিলামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর প্রদান করেন কেন্দুয়া থানা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাবুল শেখ।
এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সাখাওয়াত হোসেন তারেক, উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আল শাফিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। নিলাম কার্যক্রম তদারকি করেন কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী মাকসুদ।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর নওপাড়া ইউনিয়নের কাউরাট গ্রামের বেপারীপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭-এর ১১ ধারায় ষাঁড়টি জব্দ করে অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছিল।