শীতে কাপছে উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও

আপলোড সময় : ২১-১২-২০২৫ ০১:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-১২-২০২৫ ০১:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন
সিরাজুল ইসলাম 
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,


পৌষ মাস পড়েছে গত কয়েকদিন আগে, তার সাথে বইছে হি
মশীতল ঠান্ডা হাওয়া কাপছে ছেলে বুড়ো সবাই, এই কনকনে শীতে বিপর্যয়স্হ প্রায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। রবিবার ভোর থেকে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, কুয়াশা ঢাকা পড়েছে সমস্ত জেলা।  কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের কিরণ ছড়ালেও অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত। শীত উপেক্ষা করেই দরিদ্র শ্রেণির মানুষগুলো ছুটছেন কাজের উদ্দেশ্যে।  

এদিকে নবান্নের ধান মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঘরের কৃষানীরাও। ভোরে শাকসবজি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।
স্থানীয় সরিফ উদ্দীন জানান, মনে হয় পৌষ মাস এসে পড়েছে। পৌষ মাসের মতোই কনকনে ঠান্ডা। তবে সকাল ১১-১২টার পর থেকে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে, দেখা মেলে সূর্যের  সন্ধ্যার পর থেকে আবার উত্তর দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস বইতে থাকলে শীত লাগতে শুরু করে। শীতের কাপড় বের করতে হয়েছে। রাত বাড়তে থাকলে শীতও বাড়তে থাকে। রাতে কম্বল কিংবা কাঁথা নিতে হয়।রবিবার আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে সকালে  তাপমাত্রা, ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন জানান, প্রচন্ড কুয়াশা এবং তার সাথে হিমশীতল ঠান্ডা হাওয়া, যার ফলে যাত্রীরা ভ্যানে উঠতে চায়না।

ফলে আগের তুলনায় আয়রোজগার কমে গেছে, আগে যদি ও ইনকাম হতো ৫০০-৬০০টাকা এখন হচ্ছে ৩০০-৩৫০টাকা যা সংসার চালাতেই হিমসিম। দিনমুজুর আবুল কাসেম জানান, প্রচন্ড ঠান্ডায় মাঠে কাজ করাই বড় দায় হাত পা হিম হয়ে আসে, কাজ করতে ও সমস্যা।অপরদিকে শীতের কাপড়ের অভাবে দিনপার করছে ছিন্নমূল মানুষ গুলো। শীতের প্রভাব পড়েছে হাসপাতাল গুলোতে, বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ শিশু থেকে বয়স্ক যেমন সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিউমোনিয়া ইত্যাদি।
 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]