মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
শোকের দিন আজ। অপার বেদনার ১৪ ডিসেম্বর। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র এক দিন আগে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। পাকিস্তানি সেনাদোসরদের উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন হলেও বাংলাদেশ যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। বেদনাবিধুর এই দিনটিতে হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় মুখরিত হবে বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধগুলো।
বুদ্ধিজীবীদের দেশ ও জাতির সম্পদ ছিল, তাদেরকে হানাদার বাহিনীরা এ দেশ থেকে মেধাশূন্য করতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদেরকে।
গতকাল রবিবার কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে।উপজেলা মিলনায়তনে এ দিবস পালিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহীদুল করিম, উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইদ্রিস মিয়া মাস্টার, সাবেক কমান্ডার নূরুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার (ইউনানি) সোহেল রানা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম আজম,সমাজসেবা কর্মকর্তা বেল্লাল চৌধুরী, মৎস্য কর্মকর্তা রাগিব হাসান, সহকারী শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান, সাংবাদিক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।
শোকের দিন আজ। অপার বেদনার ১৪ ডিসেম্বর। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র এক দিন আগে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। পাকিস্তানি সেনাদোসরদের উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন হলেও বাংলাদেশ যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। বেদনাবিধুর এই দিনটিতে হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় মুখরিত হবে বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধগুলো।
বুদ্ধিজীবীদের দেশ ও জাতির সম্পদ ছিল, তাদেরকে হানাদার বাহিনীরা এ দেশ থেকে মেধাশূন্য করতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদেরকে।
গতকাল রবিবার কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে।উপজেলা মিলনায়তনে এ দিবস পালিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহীদুল করিম, উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম তপন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইদ্রিস মিয়া মাস্টার, সাবেক কমান্ডার নূরুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার (ইউনানি) সোহেল রানা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম আজম,সমাজসেবা কর্মকর্তা বেল্লাল চৌধুরী, মৎস্য কর্মকর্তা রাগিব হাসান, সহকারী শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান, সাংবাদিক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।