দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলে শোক

আপলোড সময় : ১৪-১২-২০২৫ ০২:০৫:৩০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৪-১২-২০২৫ ০২:০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
এস এম মামুন, যশোর

মটর মেকানিক থেকে দেশসেরা উদ্ভাবক হিসেবে পরিচিত যশোরের শার্শা উপজেলার কৃতি সন্তান মিজানুর রহমান আর নেই। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মিজানুর রহমান শুধু একজন উদ্ভাবকই নন, ছিলেন একজন মানবিক সমাজসেবক। যশোরসহ সারাদেশের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসায় তিনি পবিত্র কোরআন বিতরণ করেছেন। করোনাকালীন দুর্দিনে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান তিনি। শার্শার শ্যামলাগাছি এলাকায় অসহায় ও এতিম শিশুদের জন্য বিনামূল্যে মাদ্রাসা এবং ফ্রি খাবার ঘর স্থাপন করে মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

তার এসব মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়মিতভাবে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং টেলিভিশন গণমাধ্যমে প্রচারিত হতো। সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত মানুষের কাছে তিনি ছিলেন পরিচিত ও ভালোবাসার মানুষ।

তবে একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে তাঁর পক্ষে আর তেমন কোনো সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। দীর্ঘদিন কারাবাসের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে নানা মহলে শোক ও বেদনার প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

মিজানুর রহমানের মৃত্যুতে অনেক সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, একজন মানবিক ও উদ্ভাবনী প্রতিভার এমন পরিণতি সমাজের জন্য গভীর ক্ষতির।

গণমাধ্যমকর্মী এস এম মামুন বলেন, “মৃত্যুর পর লিখে আর কী হবে—বেঁচে থাকতে আমরা তাঁর জন্য কিছুই করতে পারলাম না।” তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আল্লাহ তায়ালা যেন মিজানুর রহমানকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।

মরহুমের মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংবাদিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে এবং তাঁর মানবিক কর্মকাণ্ড চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]