রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশী সিগারেট আটক করেছে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)। বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস-এর নেতৃত্বে টহল দল বটতলীপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ভারতীয় ৩,৫০০ প্যাকেট ওরিস, ১৫,২৩০ প্যাকেট ইজি লাইট এবং ১৭,৫০০ প্যাকেট প্যাট্রন সিগারেটসহ মোট ৩৬,২৩০ প্যাকেট বিদেশী সিগারেট আটক করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।
বিজিবি সূত্র জানায়, আটককৃত সিগারেটগুলো কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) কর্তৃক কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি
বিজিবি জানায়, সীমান্ত ঘেঁষা এলাকা হওয়ায় পাহাড়ি পথ, নদীপথ ও সড়কপথকে ‘নিরাপদ’ মনে করে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বিদেশী সিগারেট পাচারে লিপ্ত রয়েছে। সম্প্রতি কাপ্তাই থেকে চট্টগ্রামগামী একটি কারযোগে বিদেশী সিগারেট পাচারের সময় বিজিবি গাড়িসহ পাচারকারীকে আটক করে।
বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়— ভবিষ্যতেও এ ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি, নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার থাকবে, এবং কোনো সিন্ডিকেটকে ছাড় দেওয়া হবে না।
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশী সিগারেট আটক করেছে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)। বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস-এর নেতৃত্বে টহল দল বটতলীপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ভারতীয় ৩,৫০০ প্যাকেট ওরিস, ১৫,২৩০ প্যাকেট ইজি লাইট এবং ১৭,৫০০ প্যাকেট প্যাট্রন সিগারেটসহ মোট ৩৬,২৩০ প্যাকেট বিদেশী সিগারেট আটক করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।
বিজিবি সূত্র জানায়, আটককৃত সিগারেটগুলো কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) কর্তৃক কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি
বিজিবি জানায়, সীমান্ত ঘেঁষা এলাকা হওয়ায় পাহাড়ি পথ, নদীপথ ও সড়কপথকে ‘নিরাপদ’ মনে করে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বিদেশী সিগারেট পাচারে লিপ্ত রয়েছে। সম্প্রতি কাপ্তাই থেকে চট্টগ্রামগামী একটি কারযোগে বিদেশী সিগারেট পাচারের সময় বিজিবি গাড়িসহ পাচারকারীকে আটক করে।
বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়— ভবিষ্যতেও এ ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি, নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার থাকবে, এবং কোনো সিন্ডিকেটকে ছাড় দেওয়া হবে না।