৫৪ বছরেও গেজেটে নেই কেন্দুয়ার বাড়লা গণহত্যার ৪ শহীদের নাম

আপলোড সময় : ১১-১২-২০২৫ ০৫:৪৭:৩১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-১২-২০২৫ ০৭:১২:৫২ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টারঃ 

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও উপেক্ষিত রয়ে গেছে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বাড়লা গ্রামের গণহত্যার চার শহীদের নাম। ১৯৭১ সালের ১২ নভেম্বর (২৩ রমজান) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও স্থানীয় দোসরদের হামলায় শহীদ হওয়া মালধর, আবুল হাসেম, আব্দুল খালেক এবং জুলহাস মিয়ার নাম এখনও মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। গ্রামে গড়ে ওঠেনি কোনো সরকারি স্মৃতিস্তম্ভও।

সেদিন ময়মনসিংহের নান্দাইল ক্যাম্প থেকে পাকবাহিনী বাড়লা গ্রামে আক্রমণ চালায়। এটি ছিল মুক্তিকামী মানুষের গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। গ্রামে কমান্ডার মো. তফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ জন মুক্তিযোদ্ধার একটি অস্থায়ী ক্যাম্প ছিল, যা পাইকুড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আইনজীবী মরহুম নুরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বাড়িতে স্থাপিত ছিল। মুক্তিযোদ্ধারা অপারেশনে থাকায় গ্রামটি সাময়িকভাবে অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এ সুযোগে পাকবাহিনী অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন এবং নির্বিচারে গুলি চালায়। ওই হামলায় ৬৫টি ঘর পুড়ে যায় এবং চার গ্রামবাসী শহীদ হন।

শহীদ পরিবারগুলোর দাবি—তারা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বা অর্থ চান না; চান শুধু ইতিহাসটিকে বাঁচিয়ে রাখতে। শহীদ আব্দুল খালেকের ভাতিজা আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক বাড়লার রক্তঝরা ইতিহাস।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদদের নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্তি এবং বাড়লায় সরকারি স্মারক নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে শহীদ পরিবারগুলো অপেক্ষা করছে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]