স্টাফ রিপোর্টার
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের মেদিরকান্দা গ্রামে অবহেলার এক মুহূর্তে পানিভর্তি বালতিতে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে ১১ মাসের শিশু নাদিয়া।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাদিয়া শ্রমিক নবাব মিয়া ও গৃহিণী শুভা আক্তার দম্পতির একমাত্র কন্যা।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলায় রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন শিশুটির মা। এসময় খেলতে খেলতে ঘরের ভেতরে থাকা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে যায় নাদিয়া। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুমন পাল শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা বলছেন, সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে-তাই ঘরে ছোট শিশু থাকলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।
এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) স্বজল সরকার মুঠোফোনে শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের মেদিরকান্দা গ্রামে অবহেলার এক মুহূর্তে পানিভর্তি বালতিতে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে ১১ মাসের শিশু নাদিয়া।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাদিয়া শ্রমিক নবাব মিয়া ও গৃহিণী শুভা আক্তার দম্পতির একমাত্র কন্যা।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলায় রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন শিশুটির মা। এসময় খেলতে খেলতে ঘরের ভেতরে থাকা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে যায় নাদিয়া। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুমন পাল শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা বলছেন, সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে-তাই ঘরে ছোট শিশু থাকলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।
এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) স্বজল সরকার মুঠোফোনে শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।