রানা ইসলাম, বদরগঞ্জ (রংপুর ) প্রতিনিধি
রংপুরে বদরগঞ্জে রাধানগর ইউনিয়ন পাঠানের হাট মোড় থেকে দিলালপুর কাচারি পর্যন্ত সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মাটিযুক্ত বালুর ওপর কোনো প্রকার ধুলাবালি পরিষ্কার না করেই তাড়াহুড়া করে রাস্তাটি কাজ করা হচ্ছে।দিলালপুর বৃন্দেরধর এলাকায় গিয়ে অন্তত ৫ জন বাসিন্দা সাংবাদিককে রাস্তার মান নিয়ে অভিযোগ জানান।
আজহারুল ইসলাম এক ব্যাক্তি বলেন,নিচে ভিটে মাটি ও বালু মিশ্রিত দিয়ে রাস্তার কাজ শুরু করছে। তিনি বলেন ইটের মান ভাল নয়।এগুলো দিয়ে রাস্তার কাজ করলে খুব তাড়াতাড়ি এ রাস্তা টিকবেনা।
চকেরডাঙ্গা গ্রামে ফজলু মিয়া বলেন,এই এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবি ধুলোবালি,ভাঙ্গা রাস্তাটি ভোগান্তিতে ছিল অন্তত ২০ হাজার মানুষ। এখন রাস্তাটি পাকাকরণ হচ্ছে। কিন্তু রাস্তা তৈরিতে যেসব নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। তাতে করে বছর ঘুরতে না ঘুরতে রাস্তা বেহাল দশা হবে।তিনি বলেন,বালুর চেয়ে মাটির পরিমান বেশি দেওয়া হচ্ছে এ রাস্তাটিতে।
উপজেলা সূত্রে জানা যায়, সড়কটির পাকাকরনে জন্য দুই অংশে ৫ কিলোমিটার একটু বেশি। এ কাজের দায়িত্ব পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান — যার স্বত্বাধিকারী বরেন্দ্র কন্সট্রাকশন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিয়ম অনুসরণ না করে ভিটে মাটি ও বালু মিশ্রীত দিয়ে রাস্তাটি কাজ হচ্ছে। খুব অল্প দিনের মধ্যেই রাস্তাটি অকার্যকর হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্হানীয়রা। রাস্তার কাজের উপকরণে ২৫ মিলি কাজ করার কথা থাকলে বাস্তবে কোনো মিল নেই।
এক পথচারী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “রাস্তাটির আগেও খারাপ অবস্থা ছিল। এখন ধুলাবালি ভালভাবে পরিষ্কার না করে নিম্নমানের খোয়া দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা।বললেও তারা শোনেনা।খুবই দুঃখজনক—এসব দেখার কেউ নেই।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বালাপাড়া গ্রামের দুই ব্যাক্তি বলেন, ঠিকাদারের লাভজনক জন্য নিম্নমানের ইট, খোয়া,বালু দিয়ে রাতের আঁধারে কাজ করতে দেখা গেছে। আর এ কাজের সহযোগীতা করছেন বিএনপি নেতা রেয়াজ,বাবু হাসিনুর,এ তিনজন স্হানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বলে জানা গেছে। গ্রামবাসী জানান,বিএনপি নেতাদের ভয়ে তারা প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা।
অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকার মেসার্স বরেন্দ্র কন্সট্রাকশন এর পার্টনার মো: রাঙ্গা বলেন, ‘এ অভিযোগ সত্য নয়। সব নিয়ম মেনেই কাজটি করা হচ্ছে।’একথা বলে তিনি মুঠোফোন সংযোগ কেটে দেন।
বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুন উর রশিদ বলেন, “এখনো কাজটি দেখিনি। দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠপর্যায়ে আমাদের তদারককারী লোক আছে।”
রংপুরে বদরগঞ্জে রাধানগর ইউনিয়ন পাঠানের হাট মোড় থেকে দিলালপুর কাচারি পর্যন্ত সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মাটিযুক্ত বালুর ওপর কোনো প্রকার ধুলাবালি পরিষ্কার না করেই তাড়াহুড়া করে রাস্তাটি কাজ করা হচ্ছে।দিলালপুর বৃন্দেরধর এলাকায় গিয়ে অন্তত ৫ জন বাসিন্দা সাংবাদিককে রাস্তার মান নিয়ে অভিযোগ জানান।
আজহারুল ইসলাম এক ব্যাক্তি বলেন,নিচে ভিটে মাটি ও বালু মিশ্রিত দিয়ে রাস্তার কাজ শুরু করছে। তিনি বলেন ইটের মান ভাল নয়।এগুলো দিয়ে রাস্তার কাজ করলে খুব তাড়াতাড়ি এ রাস্তা টিকবেনা।
চকেরডাঙ্গা গ্রামে ফজলু মিয়া বলেন,এই এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবি ধুলোবালি,ভাঙ্গা রাস্তাটি ভোগান্তিতে ছিল অন্তত ২০ হাজার মানুষ। এখন রাস্তাটি পাকাকরণ হচ্ছে। কিন্তু রাস্তা তৈরিতে যেসব নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। তাতে করে বছর ঘুরতে না ঘুরতে রাস্তা বেহাল দশা হবে।তিনি বলেন,বালুর চেয়ে মাটির পরিমান বেশি দেওয়া হচ্ছে এ রাস্তাটিতে।
উপজেলা সূত্রে জানা যায়, সড়কটির পাকাকরনে জন্য দুই অংশে ৫ কিলোমিটার একটু বেশি। এ কাজের দায়িত্ব পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান — যার স্বত্বাধিকারী বরেন্দ্র কন্সট্রাকশন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিয়ম অনুসরণ না করে ভিটে মাটি ও বালু মিশ্রীত দিয়ে রাস্তাটি কাজ হচ্ছে। খুব অল্প দিনের মধ্যেই রাস্তাটি অকার্যকর হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্হানীয়রা। রাস্তার কাজের উপকরণে ২৫ মিলি কাজ করার কথা থাকলে বাস্তবে কোনো মিল নেই।
এক পথচারী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “রাস্তাটির আগেও খারাপ অবস্থা ছিল। এখন ধুলাবালি ভালভাবে পরিষ্কার না করে নিম্নমানের খোয়া দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা।বললেও তারা শোনেনা।খুবই দুঃখজনক—এসব দেখার কেউ নেই।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বালাপাড়া গ্রামের দুই ব্যাক্তি বলেন, ঠিকাদারের লাভজনক জন্য নিম্নমানের ইট, খোয়া,বালু দিয়ে রাতের আঁধারে কাজ করতে দেখা গেছে। আর এ কাজের সহযোগীতা করছেন বিএনপি নেতা রেয়াজ,বাবু হাসিনুর,এ তিনজন স্হানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বলে জানা গেছে। গ্রামবাসী জানান,বিএনপি নেতাদের ভয়ে তারা প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা।
অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকার মেসার্স বরেন্দ্র কন্সট্রাকশন এর পার্টনার মো: রাঙ্গা বলেন, ‘এ অভিযোগ সত্য নয়। সব নিয়ম মেনেই কাজটি করা হচ্ছে।’একথা বলে তিনি মুঠোফোন সংযোগ কেটে দেন।
বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুন উর রশিদ বলেন, “এখনো কাজটি দেখিনি। দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠপর্যায়ে আমাদের তদারককারী লোক আছে।”