বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অন্যতম প্রত্যাশার তালিকায় ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ সমাবর্তন অনুষ্ঠান। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসানের খবরে আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্পাসে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রথম সমাবর্তন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই ঐতিহাসিক আয়োজনকে সফল করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ড. ধীমান কুমার রায়। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন আরও পাঁচজন শিক্ষক—ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল, ড. হাফিজ আফজালুল হক, ড. মো. খোরশেদ আলম ও ড. রেহানা পারভীন। কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সদস্য–সচিব মোঃ সহিদুল ইসলাম।
সমাবর্তনের কাঠামো ঠিক করতে তারা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত সমাবর্তনের মডেলগুলো পর্যালোচনা করে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুসমন্বিত Convocation Framework তৈরি করবেন। কাজটি সম্পন্ন করতে তাদের সময় দেওয়া হয়েছে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রথম সমাবর্তন শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়, গৌরব এবং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
আপনি চাইলে আরও দুইটি, কিংবা অন্য ভঙ্গির (যেমন—অতি আনুষ্ঠানিক, ব্রডকাস্ট নিউজ স্ক্রিপ্ট, রেডিও স্টাইল, বা ম্যাগাজিন ফিচার) তৈরি করে দিতে পারি।
এই ঐতিহাসিক আয়োজনকে সফল করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ড. ধীমান কুমার রায়। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন আরও পাঁচজন শিক্ষক—ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল, ড. হাফিজ আফজালুল হক, ড. মো. খোরশেদ আলম ও ড. রেহানা পারভীন। কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সদস্য–সচিব মোঃ সহিদুল ইসলাম।
সমাবর্তনের কাঠামো ঠিক করতে তারা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত সমাবর্তনের মডেলগুলো পর্যালোচনা করে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুসমন্বিত Convocation Framework তৈরি করবেন। কাজটি সম্পন্ন করতে তাদের সময় দেওয়া হয়েছে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রথম সমাবর্তন শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়, গৌরব এবং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
আপনি চাইলে আরও দুইটি, কিংবা অন্য ভঙ্গির (যেমন—অতি আনুষ্ঠানিক, ব্রডকাস্ট নিউজ স্ক্রিপ্ট, রেডিও স্টাইল, বা ম্যাগাজিন ফিচার) তৈরি করে দিতে পারি।