জাহিদ হাসান চৌধুরী:
ফেনী জেলা প্রতিনিধি
২ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার, বিকেল ৩ টায় ফেনী সাহিত্য ফোরাম আয়োজিত- ফেনী বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলার শীর্ষ আলেম মাওলানা মুফতী আহমদুল্লাহ কাসেমীর উদ্বোধনী বক্তব্য এবং ফোরামের সভাপতি কাজী সিকান্দার এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয়। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ফেনী সেক্রেটারী ও ফেনী সাহিত্য ফোরামের উপদেষ্টা মাও. ওমর ফারুক এর সভাপতিত্বে, কেএম বেলাল হোসাইন পাটোয়ারী ও মাও. আজিজুল্লাহ আহমদীর যৌথ পরিচালনায়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেনী জেলার সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহীম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাওলানা একরামুল হক ভুইঁয়া, খেলাফত মজলিস নোয়াখালীর সহপরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ আলী মিল্লাত, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দীন, গণঅধিকার পরিষদ ফেনী জেলা সদস্য সচিব, রেজাউল করিম সুজন, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো: শাহাদাত হোসেন, ফেনী জেলা এনসিপির সংগঠক মুহাইমিন তাজিম প্রমূখ। আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী সাহিত্য ফোরামের সদস্য সচিব মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, বইমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব, মাওলানা মুহাম্মদ জাহিদ হাসান চৌধুরী, ফোরামের সদস্য মাও. ইয়াছিন, মুফতি সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী, মাও. সোহেল, নাদের চৌধুরী,মাও. ইসমাঈলসহ দায়িত্বশীলবৃন্দ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরণের মেলা হয় তন্মধ্যে সবচে ভালো ও উপকারী হল বইমেলা।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের অতি ব্যবহারের ফলে আমাদের তরুণ প্রজন্ম বই বিমুখ হয়ে পড়ছে। তাদেরকে বই পড়তে উৎসাহিত করতে বইমেলা আয়োজন করায় ফেনী সাহিত্য ফোরামে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
ফেনী সাহিত্য ফোরামের সভাপতি ও বই মেলা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক কাজী সিকান্দার বলে, বই মেলার প্রথম দিনেই লেখক, পাঠক ও প্রকাশক, তরুণ-যুবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি আমাদের আশান্বিত করছে। ইনশাআল্লাহ
আল্লাহর অনুগ্রহে দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, আশা ও কষ্ট-মেহনতের ফলে আজকে ফেনী সাহিত্য ফোরাম আয়োজিত ফেনী বইমেলা উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এ মুহূর্তটি অত্যন্ত ভালো লাগার, আগামী দিনের প্রত্যাশা, এগিয়ে যাওয়ার ও প্রেরণার। এ ভালো লাগার জায়গা তৈরি করার পেছনে রয়েছে আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা। না হয় আজ এ পর্যন্ত আসা সহজ হতো না ।
তিনি আরও বলেন, যারা এ কাজে সময়, মেধা, সমর্থন ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতিদান দেয়ার মত নয়, তাই জন্য কেবল দোয়া ও কৃতজ্ঞতা।
তিনি আরও বলেন, আজ শুধু একটি বইমেলার উদ্বোধন হচ্ছে না, বরং ফেনী অঞ্চলে সাহিত্য ও সংস্কৃতির নতুন এক কেতন উড্ডয়নের উদ্বোধন হচ্ছে। সাহিত্য সংস্কৃতির নব এক দিগন্ত উদ্ভাসিত হচ্ছে।
যার পথচলা শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের গত ১০ জুন। ফেনী সাহিত্য ফোরাম মননশীল বুদ্ধিভিত্তিক জাতি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। ফেনীকেন্দ্রিক সাহিত্য, সংষ্কৃতির উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে ফেনী সাহিত্য ফোরামের প্রতিষ্ঠা ও অগ্রযাত্রা।
ফেনী সাহিত্য ফোরামের বাৎসরিক কার্যক্রমের কর্মসূচির একটি হলো প্রতি বছর ‘ফেনী বইমেলা’ আয়োজন করা। যার মাধ্যমে কয়েকটি সমাবেশ-সম্মেলন করা।
এর লক্ষ্য যুব সমাজ ও সকল শ্রেণিকে বইমুখী করা। বই পাঠের বিস্তৃত পরিসরের আবহ তৈরি করা। যার মাধ্যমে সমাজ ও দেশকে চিন্তা-চেতনা ও বুদ্ধিভিত্তিক এগিয়ে নেয়া। ভাষা ও সাহিত্যের প্রচার-প্রসার করা। মূল কথা— বিশুদ্ধ জাতি গঠন করা।
এ অবক্ষয়ের যুগে পশ্চাদপদ ও ক্ষয়িষ্ণু জাতিকে মানুষের সঠিক বন্ধু বই-এর দিকে ফিরিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা। লেখা-লেখি ও সাহিত্য চর্চায় এগিয়ে দেয়া। সুস্থ-সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো।
ফেনী জেলা প্রতিনিধি
২ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার, বিকেল ৩ টায় ফেনী সাহিত্য ফোরাম আয়োজিত- ফেনী বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলার শীর্ষ আলেম মাওলানা মুফতী আহমদুল্লাহ কাসেমীর উদ্বোধনী বক্তব্য এবং ফোরামের সভাপতি কাজী সিকান্দার এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয়। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ফেনী সেক্রেটারী ও ফেনী সাহিত্য ফোরামের উপদেষ্টা মাও. ওমর ফারুক এর সভাপতিত্বে, কেএম বেলাল হোসাইন পাটোয়ারী ও মাও. আজিজুল্লাহ আহমদীর যৌথ পরিচালনায়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেনী জেলার সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহীম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাওলানা একরামুল হক ভুইঁয়া, খেলাফত মজলিস নোয়াখালীর সহপরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ আলী মিল্লাত, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দীন, গণঅধিকার পরিষদ ফেনী জেলা সদস্য সচিব, রেজাউল করিম সুজন, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো: শাহাদাত হোসেন, ফেনী জেলা এনসিপির সংগঠক মুহাইমিন তাজিম প্রমূখ। আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী সাহিত্য ফোরামের সদস্য সচিব মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, বইমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব, মাওলানা মুহাম্মদ জাহিদ হাসান চৌধুরী, ফোরামের সদস্য মাও. ইয়াছিন, মুফতি সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী, মাও. সোহেল, নাদের চৌধুরী,মাও. ইসমাঈলসহ দায়িত্বশীলবৃন্দ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরণের মেলা হয় তন্মধ্যে সবচে ভালো ও উপকারী হল বইমেলা।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের অতি ব্যবহারের ফলে আমাদের তরুণ প্রজন্ম বই বিমুখ হয়ে পড়ছে। তাদেরকে বই পড়তে উৎসাহিত করতে বইমেলা আয়োজন করায় ফেনী সাহিত্য ফোরামে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
ফেনী সাহিত্য ফোরামের সভাপতি ও বই মেলা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক কাজী সিকান্দার বলে, বই মেলার প্রথম দিনেই লেখক, পাঠক ও প্রকাশক, তরুণ-যুবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি আমাদের আশান্বিত করছে। ইনশাআল্লাহ
আল্লাহর অনুগ্রহে দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, আশা ও কষ্ট-মেহনতের ফলে আজকে ফেনী সাহিত্য ফোরাম আয়োজিত ফেনী বইমেলা উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এ মুহূর্তটি অত্যন্ত ভালো লাগার, আগামী দিনের প্রত্যাশা, এগিয়ে যাওয়ার ও প্রেরণার। এ ভালো লাগার জায়গা তৈরি করার পেছনে রয়েছে আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা। না হয় আজ এ পর্যন্ত আসা সহজ হতো না ।
তিনি আরও বলেন, যারা এ কাজে সময়, মেধা, সমর্থন ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতিদান দেয়ার মত নয়, তাই জন্য কেবল দোয়া ও কৃতজ্ঞতা।
তিনি আরও বলেন, আজ শুধু একটি বইমেলার উদ্বোধন হচ্ছে না, বরং ফেনী অঞ্চলে সাহিত্য ও সংস্কৃতির নতুন এক কেতন উড্ডয়নের উদ্বোধন হচ্ছে। সাহিত্য সংস্কৃতির নব এক দিগন্ত উদ্ভাসিত হচ্ছে।
যার পথচলা শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের গত ১০ জুন। ফেনী সাহিত্য ফোরাম মননশীল বুদ্ধিভিত্তিক জাতি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। ফেনীকেন্দ্রিক সাহিত্য, সংষ্কৃতির উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে ফেনী সাহিত্য ফোরামের প্রতিষ্ঠা ও অগ্রযাত্রা।
ফেনী সাহিত্য ফোরামের বাৎসরিক কার্যক্রমের কর্মসূচির একটি হলো প্রতি বছর ‘ফেনী বইমেলা’ আয়োজন করা। যার মাধ্যমে কয়েকটি সমাবেশ-সম্মেলন করা।
এর লক্ষ্য যুব সমাজ ও সকল শ্রেণিকে বইমুখী করা। বই পাঠের বিস্তৃত পরিসরের আবহ তৈরি করা। যার মাধ্যমে সমাজ ও দেশকে চিন্তা-চেতনা ও বুদ্ধিভিত্তিক এগিয়ে নেয়া। ভাষা ও সাহিত্যের প্রচার-প্রসার করা। মূল কথা— বিশুদ্ধ জাতি গঠন করা।
এ অবক্ষয়ের যুগে পশ্চাদপদ ও ক্ষয়িষ্ণু জাতিকে মানুষের সঠিক বন্ধু বই-এর দিকে ফিরিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা। লেখা-লেখি ও সাহিত্য চর্চায় এগিয়ে দেয়া। সুস্থ-সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো।