বদরগঞ্জ ( রংপুর) প্রতিনিধি
রংপুরে বদরগঞ্জে ফিল্মী স্টাইলে ছয় যুবককে তুলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন অভিযোগ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ঐ ছাত্রদল নেতার নাম মাইনুল ইসলাম রাব্বী।তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব পদে দায়িত্বে আছেন।গত ২৩ নভেম্বর রবিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মুন্না বিল্লাহ থানায় রাব্বীসহ তিন জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপর দুজন হলো অনিক, ও কারিফুল ইসলাম ।মুন্না বিল্লাহ তারাগঞ্জ সয়ারের পঞ্চায়েত পাড়া গ্রামে আনিছুল হকের ছেলে।তার বুড়িরহাট বাজারে বিকাশের ও ইলেকট্রনিক ব্যবসা রয়েছে।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী মুন্না বিল্লাহ,ও তার বন্ধু বাপ্পি, পারভেজসহ ছয় বন্ধু তারাগঞ্জে বুড়িহাট বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে বদরগঞ্জ পৌরশহরে হকসাহেবের মোড়ে বিরিয়ানি খেতে আসে।খাওয়ার পর মিতা রোডে একটি দোকানে চা খেতে আাসে।এসময় সেখানে আগে থেকে থাকা রাব্বিসহ অজ্ঞাত ১৫- ২০ মিলে মুন্না বিল্লাহ ও তার বন্ধুদের অযাচিত ভাবে জেরা করতে থাকে।একপর্যায়ে বিবাদীরা সবাই ছয়বন্ধুকে একটি বিদ্যালয়ে ভিতরে নিয়ে যেয়ে মারধর করে।পরে সেখান থেকে সারারাত বিভিন্ন স্হানে ঘুরিয়ে মমিনপুর এলাকায় ক্যানেলে নিয়ে আরেক দফা নির্যাতন করে বিবাদী অনিক ও কারিফুল ইসলাম। নির্যাতনের একপর্যায়ে মূন্না বিল্লাহ মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে বিকাশে পিন কোড নম্বর চায় বিবাদীরা।
ভয়াবহ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তাদের পিন নাম্বার দিলে টাকা বের করে নেয়। এরপরে ভোরের দিকে মমিনপুর বাজারে এলাকায় তাদের নিয়ে গেলে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে বাজারে লোকজন এগিয়ে এলে বিবাদীরা সবাই পালিয়ে যায়।
আরেক ভুক্তভোগী পারভেজ ইসলাম বলেন, আমাদের অনেক নির্যাতন করতে থাকে।পরে আমার বন্ধু মুন্না কে চাপ দিয়ে বিকাশের পিন কোড নিয়ে বিভিন্ন ভাবে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বের করে নেয়।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মাইনুল ইসলাম রাব্বি বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন।যারা এ অভিযোগ করেছেন তারায় বিভিন্ন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। আর বিকাশ পিন কোড নম্বর দিয়ে টাকা বের করে নিছি এর প্রমান দেখাতে পারবে না। এটা আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করছে। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করলে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে।
বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম আতিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৪/১১/২৫
রংপুরে বদরগঞ্জে ফিল্মী স্টাইলে ছয় যুবককে তুলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন অভিযোগ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ঐ ছাত্রদল নেতার নাম মাইনুল ইসলাম রাব্বী।তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব পদে দায়িত্বে আছেন।গত ২৩ নভেম্বর রবিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মুন্না বিল্লাহ থানায় রাব্বীসহ তিন জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপর দুজন হলো অনিক, ও কারিফুল ইসলাম ।মুন্না বিল্লাহ তারাগঞ্জ সয়ারের পঞ্চায়েত পাড়া গ্রামে আনিছুল হকের ছেলে।তার বুড়িরহাট বাজারে বিকাশের ও ইলেকট্রনিক ব্যবসা রয়েছে।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী মুন্না বিল্লাহ,ও তার বন্ধু বাপ্পি, পারভেজসহ ছয় বন্ধু তারাগঞ্জে বুড়িহাট বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে বদরগঞ্জ পৌরশহরে হকসাহেবের মোড়ে বিরিয়ানি খেতে আসে।খাওয়ার পর মিতা রোডে একটি দোকানে চা খেতে আাসে।এসময় সেখানে আগে থেকে থাকা রাব্বিসহ অজ্ঞাত ১৫- ২০ মিলে মুন্না বিল্লাহ ও তার বন্ধুদের অযাচিত ভাবে জেরা করতে থাকে।একপর্যায়ে বিবাদীরা সবাই ছয়বন্ধুকে একটি বিদ্যালয়ে ভিতরে নিয়ে যেয়ে মারধর করে।পরে সেখান থেকে সারারাত বিভিন্ন স্হানে ঘুরিয়ে মমিনপুর এলাকায় ক্যানেলে নিয়ে আরেক দফা নির্যাতন করে বিবাদী অনিক ও কারিফুল ইসলাম। নির্যাতনের একপর্যায়ে মূন্না বিল্লাহ মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে বিকাশে পিন কোড নম্বর চায় বিবাদীরা।
ভয়াবহ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তাদের পিন নাম্বার দিলে টাকা বের করে নেয়। এরপরে ভোরের দিকে মমিনপুর বাজারে এলাকায় তাদের নিয়ে গেলে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে বাজারে লোকজন এগিয়ে এলে বিবাদীরা সবাই পালিয়ে যায়।
আরেক ভুক্তভোগী পারভেজ ইসলাম বলেন, আমাদের অনেক নির্যাতন করতে থাকে।পরে আমার বন্ধু মুন্না কে চাপ দিয়ে বিকাশের পিন কোড নিয়ে বিভিন্ন ভাবে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বের করে নেয়।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মাইনুল ইসলাম রাব্বি বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন।যারা এ অভিযোগ করেছেন তারায় বিভিন্ন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। আর বিকাশ পিন কোড নম্বর দিয়ে টাকা বের করে নিছি এর প্রমান দেখাতে পারবে না। এটা আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করছে। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করলে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে।
বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম আতিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৪/১১/২৫