এস এম মামুন, যশোর
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের আইনিভিত্তি নিশ্চিত করা এবং গণভোটের মাধ্যমে পি.আর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে যশোরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এক বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর ২০২৫) বিকাল ৩টায় যশোর শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সভাপতি মিয়া মুহাম্মদ আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী সরদারের পরিচালনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ও যশোর সদর–৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শোয়াইব হোসেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন,
“নির্বাচনের আগে গণভোট এবং জুলাই সনদের আইনিভিত্তি নিশ্চিত করে পি.আর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এখন পি.আর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়।” — মাওলানা মোঃ শোয়াইব হোসেন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা শোয়াইব হোসেন বলেন, পি.আর পদ্ধতির নির্বাচনে পেশিশক্তি, কালো টাকা, কেন্দ্র দখল, সহিংসতা, অরাজকতা ও নৈরাজ্যের জায়গা থাকে না। নিবন্ধিত সব দলের ভোট অনুযায়ী সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়। এতে দেশজুড়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বাড়ে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, বিশ্বের ৯১টিরও বেশি দেশ পি.আর পদ্ধতি অনুসরণ করে সুফল পেয়েছে।
জেলা সভাপতি মিয়া মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। পি.আর পদ্ধতি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাবে। অথচ একটি দল এ পদ্ধতির বিরোধিতা করছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, বিগত ৫৪ বছরের নির্বাচনী পদ্ধতি দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে এবং পি.আর পদ্ধতির দাবির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
এ সময় অন্যান্য বক্তারা আসন্ন সংসদ নির্বাচনে পি.আর পদ্ধতি চালুর জোর দাবি জানান এবং এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন—
ইসলামী আইনজীবী পরিষদ খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর ইসলাম (নুরুল), ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা রুহুল আমিন, জয়েন্ট সেক্রেটারি এইচএম মহসিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. আশিক বিল্লাহ, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের জেলা সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক মুফতি মঈন উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক এটিএম আখতারুজ্জামান তাজু, যুব ও ছাত্র বিষয়ক নেতা মাওলানা ইমদাদুল্লাহ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মুন্না, সদর থানা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মতিন বিশ্বাস, পৌর সেক্রেটারি অলিউর রহমান, শ্রমিক আন্দোলন নেতা আলহাজ্ব আবুল বাশার, গাজী শহিদুল ইসলাম, প্রভাষক আশরাফুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলন জেলা সভাপতি মুফতি আবু জর বিন হাফিজ ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা ইমরান হোসাইন প্রমুখ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের আইনিভিত্তি নিশ্চিত করা এবং গণভোটের মাধ্যমে পি.আর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে যশোরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এক বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর ২০২৫) বিকাল ৩টায় যশোর শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সভাপতি মিয়া মুহাম্মদ আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী সরদারের পরিচালনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ও যশোর সদর–৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শোয়াইব হোসেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন,
“নির্বাচনের আগে গণভোট এবং জুলাই সনদের আইনিভিত্তি নিশ্চিত করে পি.আর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এখন পি.আর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়।” — মাওলানা মোঃ শোয়াইব হোসেন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা শোয়াইব হোসেন বলেন, পি.আর পদ্ধতির নির্বাচনে পেশিশক্তি, কালো টাকা, কেন্দ্র দখল, সহিংসতা, অরাজকতা ও নৈরাজ্যের জায়গা থাকে না। নিবন্ধিত সব দলের ভোট অনুযায়ী সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়। এতে দেশজুড়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বাড়ে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, বিশ্বের ৯১টিরও বেশি দেশ পি.আর পদ্ধতি অনুসরণ করে সুফল পেয়েছে।
জেলা সভাপতি মিয়া মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। পি.আর পদ্ধতি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাবে। অথচ একটি দল এ পদ্ধতির বিরোধিতা করছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, বিগত ৫৪ বছরের নির্বাচনী পদ্ধতি দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে এবং পি.আর পদ্ধতির দাবির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
এ সময় অন্যান্য বক্তারা আসন্ন সংসদ নির্বাচনে পি.আর পদ্ধতি চালুর জোর দাবি জানান এবং এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন—
ইসলামী আইনজীবী পরিষদ খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর ইসলাম (নুরুল), ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা রুহুল আমিন, জয়েন্ট সেক্রেটারি এইচএম মহসিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. আশিক বিল্লাহ, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের জেলা সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক মুফতি মঈন উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক এটিএম আখতারুজ্জামান তাজু, যুব ও ছাত্র বিষয়ক নেতা মাওলানা ইমদাদুল্লাহ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মুন্না, সদর থানা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মতিন বিশ্বাস, পৌর সেক্রেটারি অলিউর রহমান, শ্রমিক আন্দোলন নেতা আলহাজ্ব আবুল বাশার, গাজী শহিদুল ইসলাম, প্রভাষক আশরাফুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলন জেলা সভাপতি মুফতি আবু জর বিন হাফিজ ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা ইমরান হোসাইন প্রমুখ।