শাহ আলম, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
রক্তের সম্পর্কে ভরসার দেয়াল আবারও ভেঙে পড়ল টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে। ঘুমন্ত অবস্থায় এক অসহায় বৃদ্ধা মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নৃশংস হামলা এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে— হামলাকারী তারই ঘনিষ্ঠ স্বজন, ভাগ্না ও চাচাতো ভাই।
জীবনের শেষ বয়সে যেখানে সন্তানের স্নেহ ও আত্মীয়ের ভরসা পাওয়ার কথা, সেখানে মাথায় ধারালো খুরের আঘাতে রক্তাক্ত করে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুট করে পালিয়েছে ওই নির্মম স্বজনরা।
বর্তমানে গুরুতর আহত মা টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করছেন।
জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে খাবার শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন বৃদ্ধা মা। রাত প্রায় ১০টার দিকে ঘরের সিঁড়ি বেয়ে ঢুকে পড়ে ভাগ্না আনোয়ার হোসেন (৩৮) ও চাচাতো ভাই লিমন (২৫)।
পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে ধারালো খুর দিয়ে মাথায় একাধিক আঘাত করা হয় তাকে। রক্তাক্ত আহত হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লে তার শরীর থেকে প্রায় আট আনা স্বর্ণালঙ্কার (মূল্য আনুমানিক ৯০ হাজার টাকা) এবং নগদ ৪ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
বৃদ্ধার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীর ছেলে লাভলু বলেন, আমার মাকে তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করতে চেয়েছিল। জ্ঞান ফিরতে দেরি হলে হয়তো আজ আমরা মায়ের লাশই ঘরে পেতাম।
স্থানীয়রা বলেন, একজন মা যদি ঘনিষ্ঠ জনের কাছে নিরাপদ না হন, তাহলে সমাজের মানুষের ভাগ্যই বা কতটা নিরাপদ?
এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কালিহাতী মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন দত্ত বলেন, এটি শুধু এক মায়ের ওপর হামলা নয়, মানবতার ওপর আঘাত। আমরা দ্রুত ও কঠোর শাস্তির দাবি করছি।
কালিহাতী থানার এসআই আসাদ জানান,
লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক আসামীকে ধরতে অভিযান চলছে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
মামলা নং: ৭ তারিখ: ৯ অক্টোবর ২০২৫
ধারা: ৪৫৬, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৩৮০, ৫০৬/৩৪
আইন: প্যানেল কোড ১৮৬০
যে সমাজে মায়ের জীবন নিরাপদ নয়, সে সমাজ কতটা সভ্য?। এ ঘটনায় মানবিক সংগঠনগুলো আহত মায়ের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছে এবং সমাজের প্রতিটি মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে— মায়ের সম্মান ও নিরাপত্তায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।
v
রক্তের সম্পর্কে ভরসার দেয়াল আবারও ভেঙে পড়ল টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে। ঘুমন্ত অবস্থায় এক অসহায় বৃদ্ধা মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নৃশংস হামলা এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে— হামলাকারী তারই ঘনিষ্ঠ স্বজন, ভাগ্না ও চাচাতো ভাই।
জীবনের শেষ বয়সে যেখানে সন্তানের স্নেহ ও আত্মীয়ের ভরসা পাওয়ার কথা, সেখানে মাথায় ধারালো খুরের আঘাতে রক্তাক্ত করে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুট করে পালিয়েছে ওই নির্মম স্বজনরা।
বর্তমানে গুরুতর আহত মা টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করছেন।
জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে খাবার শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন বৃদ্ধা মা। রাত প্রায় ১০টার দিকে ঘরের সিঁড়ি বেয়ে ঢুকে পড়ে ভাগ্না আনোয়ার হোসেন (৩৮) ও চাচাতো ভাই লিমন (২৫)।
পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে ধারালো খুর দিয়ে মাথায় একাধিক আঘাত করা হয় তাকে। রক্তাক্ত আহত হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লে তার শরীর থেকে প্রায় আট আনা স্বর্ণালঙ্কার (মূল্য আনুমানিক ৯০ হাজার টাকা) এবং নগদ ৪ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
বৃদ্ধার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীর ছেলে লাভলু বলেন, আমার মাকে তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করতে চেয়েছিল। জ্ঞান ফিরতে দেরি হলে হয়তো আজ আমরা মায়ের লাশই ঘরে পেতাম।
স্থানীয়রা বলেন, একজন মা যদি ঘনিষ্ঠ জনের কাছে নিরাপদ না হন, তাহলে সমাজের মানুষের ভাগ্যই বা কতটা নিরাপদ?
এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কালিহাতী মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন দত্ত বলেন, এটি শুধু এক মায়ের ওপর হামলা নয়, মানবতার ওপর আঘাত। আমরা দ্রুত ও কঠোর শাস্তির দাবি করছি।
কালিহাতী থানার এসআই আসাদ জানান,
লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক আসামীকে ধরতে অভিযান চলছে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
মামলা নং: ৭ তারিখ: ৯ অক্টোবর ২০২৫
ধারা: ৪৫৬, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৩৮০, ৫০৬/৩৪
আইন: প্যানেল কোড ১৮৬০
যে সমাজে মায়ের জীবন নিরাপদ নয়, সে সমাজ কতটা সভ্য?। এ ঘটনায় মানবিক সংগঠনগুলো আহত মায়ের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছে এবং সমাজের প্রতিটি মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে— মায়ের সম্মান ও নিরাপত্তায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।
v