কাউখালী প্রতিনিধি।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা পরিষদের ভিতরে গণপাঠাগারটি দীর্ঘ এক যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে পাঠাগার প্রিয় পাঠকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত চাহিদা থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন কার্যকলাপ না থাকার কারণে পাঠাগারের আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। বইগুলো পড়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। লাইব্রেরীতে থাকা বইয়ের বিশাল সংগ্রহশালা ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। একসময় এখানকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীসহ অভিভাবকরা এই পাঠাগারে নিয়মিত দৈনিক পেপারসহ বইপত্র করে জ্ঞান অর্জন করত। পাঠাগার না থাকার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সহ পাঠক প্রেমিকরা বই পড়া থেকে বঞ্চিত। বিষয়টি কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা অনুভব করে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে পরিত্যক্ত পাঠাগারটি সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে। পাঠাগারটির সংস্কারের কাজ সহ অধিকাংশ কাজ সমাপ্তির পথে। আশা করা যাচ্ছে এ বছরের শেষের দিকে পুরানো ঐতিহ্যবাহী গণ পাঠাগারটি তার পুরানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে আর নতুন নতুন পাঠকের সৃষ্টি হবে।
এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা জানান, আমি বিষয়টি উপলব্ধি করে পরিষদের বরাদ্দ থেকে পাঠাগারটি সচল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি কিছুদিনের ভিতরে পাঠাগারটি পুনরায় চালু হলে এখানকার কোমলমতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ বিভিন্ন প্রেশার মানুষ পাঠাগারমূখী হবে। এখানে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করার ইচ্ছা আমার আছে।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা পরিষদের ভিতরে গণপাঠাগারটি দীর্ঘ এক যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে পাঠাগার প্রিয় পাঠকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত চাহিদা থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন কার্যকলাপ না থাকার কারণে পাঠাগারের আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। বইগুলো পড়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। লাইব্রেরীতে থাকা বইয়ের বিশাল সংগ্রহশালা ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। একসময় এখানকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীসহ অভিভাবকরা এই পাঠাগারে নিয়মিত দৈনিক পেপারসহ বইপত্র করে জ্ঞান অর্জন করত। পাঠাগার না থাকার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সহ পাঠক প্রেমিকরা বই পড়া থেকে বঞ্চিত। বিষয়টি কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা অনুভব করে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে পরিত্যক্ত পাঠাগারটি সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে। পাঠাগারটির সংস্কারের কাজ সহ অধিকাংশ কাজ সমাপ্তির পথে। আশা করা যাচ্ছে এ বছরের শেষের দিকে পুরানো ঐতিহ্যবাহী গণ পাঠাগারটি তার পুরানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে আর নতুন নতুন পাঠকের সৃষ্টি হবে।
এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা জানান, আমি বিষয়টি উপলব্ধি করে পরিষদের বরাদ্দ থেকে পাঠাগারটি সচল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি কিছুদিনের ভিতরে পাঠাগারটি পুনরায় চালু হলে এখানকার কোমলমতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ বিভিন্ন প্রেশার মানুষ পাঠাগারমূখী হবে। এখানে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করার ইচ্ছা আমার আছে।