ব্রাহ্মণপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্টদের কর্মদক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণে জেলা প্রশাসক

আপলোড সময় : ২৮-১০-২০২৫ ০১:১৭:৪০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৮-১০-২০২৫ ০১:১৭:৪০ অপরাহ্ন
মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় দুই দিনব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের কর্মদক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৭ অক্টোবর (সোমবার) দুপুরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে কোর্স উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার। কোর্স সমন্বয়ক ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান এবং কোর্স পরিচালক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের কুমিল্লার উপপরিচালক মোঃ মেহেদী মাহমুদ আকন্দ। 
এ সময় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে প্রশিক্ষনার্থী হিসেবে ছিলেন, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট অপারেটরগণ।



ব্রাহ্মণপাড়ায় এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ
মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম  ও অভিভাবকদের সাথে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি এবং অশালীন কথা বলার অভিযোগ করেছে এক ভুক্তভোগী নারী। উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের চান্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান (জুনায়েদ) এর বিরোদ্ধে এ অভিযোগ করেন অভিভাবকদের পক্ষে রেবেকা সুলতানা নামে এক নারী। গত ১২ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করেন তিনি।

অভিযোগ সুত্রে ও অভিযোগকারী রেবেকা সুলতানা জানান, আমার দুই মেয়ে চান্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সূত্রে ওই স্কুলে আমার নিয়মিত যেতে হয়। সে সূত্র ধরে উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান (জুনায়েদ) স্যার আমার সাথে বিভিন্ন প্রকার আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি এবং অশালীন কথা বলে। বিষয়টি আমি প্রধান শিক্ষককে জানালে ঐ শিক্ষক আমার বড় মেয়েকে (এ স্কুলে ৫ম শ্রণির ছাত্রী) বিভিন্ন ভাবে মানসিক আত্যাচার করে। তিনি এ স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশী অলুয়া আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় এবং রেঁনেসা কিন্ডার গার্টেনে পার্টটাইম শিক্ষকতা করার কারণে তিনি বিদ্যালয়ে সকাল ১১ টায় এসে দুপুর ১:৩০ চলে যায়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক তার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কিছু বললে তিনি শিক্ষা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তিপক্ষের ভয় দেখায়। এব্যপারে কোন শিক্ষক কিছু বললে তাদের সাথে গালাগালি করে এবং খারাপ ব্যবহারসহ মারতে উদ্যত হয়। এ কারণে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। প্রকাশনী থেকে টাকা খেয়ে সকল শিক্ষার্থীকে মেরিট গাউড কিনতে বাধ্য করে ঐ শিক্ষক।

তিনি স্কুলের অনুদানের টাকার সাথে তার নিজের মতো করে খরচ করে ভাউচার সংযুক্ত করে প্রধান শিক্ষককে টাকা উত্তোলনে বাধ্য করেন। এছাড়া তিনি ক্লাশে পড়ানোর সময় বাচ্চাদের সাথে অশালীন ভাষায় গালাগালি করে এবং বই, চক দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে ঢিল মারে। ক্লাশে বাচ্চাদেরকে অশালীন ভাষায় গালাগালি করে এবং ছেলে মেয়েদেরকে ব্যঙ্গকরে অঙ্গভঙ্গি করে।
তিনি চান্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসার পূর্বে দুলালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছিলেন। সেখানে নারী কেলেঙ্কারির কারণে এলাকাবাসীর চাপের কারণে বদলি হয়ে চান্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসেন। 
এ বিষয়ে চাঁদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান (জুনায়েদ) বলেন, এসব অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক। আমি এ ধরণের কোন কাজের সাথে সম্পৃক্ত নই।

এ ব্যাপরে ব্রাহ্মণপাড়া শিক্ষা কর্মকর্তা হালিমা পারভিন বলেন, চান্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান (জুনায়েদ) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উক্ত শিক্ষক অন্য দুটি বিদ্যালয় শিক্ষকতার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছি।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]