মো:গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি
রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাংবাদিক মিজান। তার প্রতিবেশী আফরোজা খাতুন (৪৫) স্বামী-মোঃ বেলাল হোসেন তার পরিবার দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিক মিজানের বাড়ির গেটে সামনে ময়লা ফেলে।
দুর্গন্ধ হওয়ার কারণে বারবার নিষেধ করার কারণে আফরোজা খাতুন লাঠি দিয়ে মিজানের পরিবারকে মার ধরের চেষ্টা ও অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেন।
এবং এর আগেও সাংবাদিক মিজানের বাসার জানালার সামনে পাঁঠা দিয়ে ব্যবসা করার প্রতিবাদ করলে আফরোজা খাতুনের দুই ছেলে এসে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এবিষয়ে (২১-অক্টোবর) সকাল ১১ টার সময় আফরোজা খাতুনের স্বামী বেলাল হোসেনকে সকল সমস্যার বিষয়ে অবগত করতে গেলে উল্টো সাংবাদিক মিজানকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে।
আফরোজা খাতুন ও বেলাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন বক্তব্য দিতে পারবো না। যে অভিযোগ দিয়েছে সেই বক্তব্য দি [email protected] বে [email protected] ন। আজকে সকালের বিষয়ে বারবার জিজ্ঞেস করার পরে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মহিলা পুরো গ্রামবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে তার অসিল ভাষায় কথা বলে কোন প্রতিবাদ করলেই মামলার ভয় দেখায়। আমার একটাই দাবি এই মহিলার সুস্থ একটি বিচার হোক।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার (ওসি) কবির হোসেন জানান, সাংবাদিক মিজান থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন। আমরা তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
আফরোজা খাতুন ও বেলাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন বক্তব্য দিতে পারবো না। যে অভিযোগ দিয়েছে সেই বক্তব্য দি [email protected] বে [email protected] ন। আজকে সকালের বিষয়ে বারবার জিজ্ঞেস করার পরে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মহিলা পুরো গ্রামবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে তার অসিল ভাষায় কথা বলে কোন প্রতিবাদ করলেই মামলার ভয় দেখায়। আমার একটাই দাবি এই মহিলার সুস্থ একটি বিচার হোক।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার (ওসি) কবির হোসেন জানান, সাংবাদিক মিজান থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন। আমরা তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি
রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাংবাদিক মিজান। তার প্রতিবেশী আফরোজা খাতুন (৪৫) স্বামী-মোঃ বেলাল হোসেন তার পরিবার দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিক মিজানের বাড়ির গেটে সামনে ময়লা ফেলে।
দুর্গন্ধ হওয়ার কারণে বারবার নিষেধ করার কারণে আফরোজা খাতুন লাঠি দিয়ে মিজানের পরিবারকে মার ধরের চেষ্টা ও অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেন।
এবং এর আগেও সাংবাদিক মিজানের বাসার জানালার সামনে পাঁঠা দিয়ে ব্যবসা করার প্রতিবাদ করলে আফরোজা খাতুনের দুই ছেলে এসে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এবিষয়ে (২১-অক্টোবর) সকাল ১১ টার সময় আফরোজা খাতুনের স্বামী বেলাল হোসেনকে সকল সমস্যার বিষয়ে অবগত করতে গেলে উল্টো সাংবাদিক মিজানকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে।
আফরোজা খাতুন ও বেলাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন বক্তব্য দিতে পারবো না। যে অভিযোগ দিয়েছে সেই বক্তব্য দি [email protected] বে [email protected] ন। আজকে সকালের বিষয়ে বারবার জিজ্ঞেস করার পরে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মহিলা পুরো গ্রামবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে তার অসিল ভাষায় কথা বলে কোন প্রতিবাদ করলেই মামলার ভয় দেখায়। আমার একটাই দাবি এই মহিলার সুস্থ একটি বিচার হোক।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার (ওসি) কবির হোসেন জানান, সাংবাদিক মিজান থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন। আমরা তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
আফরোজা খাতুন ও বেলাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন বক্তব্য দিতে পারবো না। যে অভিযোগ দিয়েছে সেই বক্তব্য দি [email protected] বে [email protected] ন। আজকে সকালের বিষয়ে বারবার জিজ্ঞেস করার পরে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মহিলা পুরো গ্রামবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে তার অসিল ভাষায় কথা বলে কোন প্রতিবাদ করলেই মামলার ভয় দেখায়। আমার একটাই দাবি এই মহিলার সুস্থ একটি বিচার হোক।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার (ওসি) কবির হোসেন জানান, সাংবাদিক মিজান থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন। আমরা তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো