কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ৫নং গন্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দিদারকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কেন্দুয়া-আঠারবাড়ি সড়কের মরিচপুর এলাকার ‘একতা বিল্ডার্স’ নামের ইটভাটার পাশে রাস্তার ধারে অচেতন অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন, এবং তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কে বা কারা দিদারকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। তবে হামলার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। এলাকায় দলীয় কোন্দল ও ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে।
আহত ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলম দিদার সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি একটি স্থানীয় মেয়ে সংক্রান্ত বিষয় ও এক সিনিয়র নেতার সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়েছিল। এর বাইরে আমার কোনো বিরোধ আছে বলে জানি না। মনে হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরেই এই হামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম ভূঁইয়া বলেন, এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন,ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল
নেত্রকোণা
০১৭১৬৪২৫৪৩৫
২১-১০-২০২৫
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ৫নং গন্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দিদারকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কেন্দুয়া-আঠারবাড়ি সড়কের মরিচপুর এলাকার ‘একতা বিল্ডার্স’ নামের ইটভাটার পাশে রাস্তার ধারে অচেতন অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন, এবং তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কে বা কারা দিদারকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। তবে হামলার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। এলাকায় দলীয় কোন্দল ও ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে।
আহত ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলম দিদার সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি একটি স্থানীয় মেয়ে সংক্রান্ত বিষয় ও এক সিনিয়র নেতার সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়েছিল। এর বাইরে আমার কোনো বিরোধ আছে বলে জানি না। মনে হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরেই এই হামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম ভূঁইয়া বলেন, এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন,ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল
নেত্রকোণা
০১৭১৬৪২৫৪৩৫
২১-১০-২০২৫