হবিগঞ্জ থেকে শাহ্ মোঃ মামুনুর রহমান :
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি ইউনিয়নের দূর্লভপুর গ্রামে নারী সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য ও তার লোকজনের হামলায় নারীসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রাকিব মিয়া (১৬)-এর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রিদয় মিয়া (২৫), বিজয় মিয়া (১৬) ও রিয়াদ মিয়া (২২) বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে। হাসপাতালে ভর্তি আহতরা জানান, একই গ্রামের নানু মিয়ার ছেলে পুলিশ সদস্য ফরহাদ ও তার ভাই তৌহিদ দীর্ঘদিন ধরে নারী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে বিরোধে লিপ্ত ছিলেন।
গত ১১ অক্টোবর রাতে তৌহিদ রিয়াদ মিয়ার ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে আহত করে। পরদিন ১২ অক্টোবর বিকেলে পুলিশ সদস্য ফরহাদ, তার ভাই তৌহিদ ও তাদের লোকজন পুনরায় সংঘবদ্ধ হয়ে দফায় দফায় হামলা চালায়।
আহতরা অভিযোগ করেন, ফরহাদ বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানায় কর্মরত। তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তার ভয়ে তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ ঘটনায় আহত রিদয় মিয়া গত ১৬ অক্টোবর হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি ইউনিয়নের দূর্লভপুর গ্রামে নারী সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য ও তার লোকজনের হামলায় নারীসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রাকিব মিয়া (১৬)-এর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রিদয় মিয়া (২৫), বিজয় মিয়া (১৬) ও রিয়াদ মিয়া (২২) বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে। হাসপাতালে ভর্তি আহতরা জানান, একই গ্রামের নানু মিয়ার ছেলে পুলিশ সদস্য ফরহাদ ও তার ভাই তৌহিদ দীর্ঘদিন ধরে নারী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে বিরোধে লিপ্ত ছিলেন।
গত ১১ অক্টোবর রাতে তৌহিদ রিয়াদ মিয়ার ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে আহত করে। পরদিন ১২ অক্টোবর বিকেলে পুলিশ সদস্য ফরহাদ, তার ভাই তৌহিদ ও তাদের লোকজন পুনরায় সংঘবদ্ধ হয়ে দফায় দফায় হামলা চালায়।
আহতরা অভিযোগ করেন, ফরহাদ বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানায় কর্মরত। তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তার ভয়ে তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ ঘটনায় আহত রিদয় মিয়া গত ১৬ অক্টোবর হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।