রাতের আধারে চলছে পরিবেশ দূষণের আজব কারখানা!

আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৫ ০৯:১৯:৫৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৫ ০৯:১৯:৫৩ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

রাধিকা-নবীনগর সড়কের পাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অংশে বার আউলিয়ার বিল এলাকায় গড়ে উঠেছে সাইনবোর্ড বিহীন এক আজব কারখানা! পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে সড়কে ব্যবহারের জন্য কালো তৈলাক্ত পদার্থ যা বিটুমিন বলে ব্যবহার করা হয়। আবার টায়ার পুড়তে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে গাছ।


মজার ব্যাপার হলো সারাদিন বন্ধ থাকলেও বিকেল থেকে প্রস্তুতি শুরু এবং রাতে চুল্লিতে আগুন দেওয়া হয়। সারারাত চুল্লি জ্বলে আর উৎপাদিত পদার্থ প্রসেস করে বড় লোহার কন্টেইনারে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনমতো বাজারজাত করা হয়।


রাতের আঁধারে চিমনি দিয়ে কি পরিমাণ কালো বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত হয় তার হিসেব কারো কাছে নেই বা প্রাকৃতিক জলাশয় বার আউলিয়ার বিল ও জীববৈচিত্র্যের কি পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে তারও হিসেব নেই!


এ পদ্ধতিতে টায়ার পোড়ালে তা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং এটি থেকে বিষাক্ত রাসায়নিক ও দূষণ নির্গত হয়। পুরানো টায়ার পোড়ালে বাতাসে প্রচুর পরিমাণে বিষাক্ত ধোঁয়া, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড এবং অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ু দূষণ ঘটায়। এ থেকে উৎপন্ন ছাইয়ে ভারী ধাতু ও রাসায়নিক যৌগ থাকে, যা মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানিকে দূষিত করে। এতে কারখানার শ্রমিকসহ এলাকার মানুষের  শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি শতভাগ আশঙ্কা রয়েছে।


বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পরিবেশ অধিদফতর ব্রাহ্মণবাড়িয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ করেছে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’।


এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদফতর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শক মো. রাকিবুল হাসান জানান, বিষয়টি 'তরী বাংলাদেশ' এর মাধ্যমে আমি আজকেই জানতে পারি। কারখানাটির পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন নেই। এ ধরণের কারখানার অনুমোদনের সুযোগও নেই। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]