স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের বাড়লা গ্রামে দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ভুক্তভোগী মো.. জহিরুল ইসলাম কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. জহিরুল ইসলামের বাড়ির পাশ দিয়ে প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গ্রামের লোকজনের চলাচলের জন্য একটি গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে, কিন্তু সম্প্রতি রাস্তাটির পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা মো. ফজুলর রহমান, মতি মিয়া, সবুজ মিয়া, দাদল মিয়া, আবুল মিয়া ও কামাল মিয়া রাস্তাটিতে ইটের দেয়াল নির্মাণ করিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন।
জানা গেছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে বিবাদীগণ শত্রুতা করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি বলে জানা যায়, এ ঘটনায় গ্রামবাসীর চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে বিবাদীগণ শত্রুতা করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি বলে জানা যায়, এ ঘটনায় গ্রামবাসীর চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) সরজমিন গেলে স্থানীয় বাসিন্দা মো. আমিনুল ইসলাম, আদম আলী ও রুপ্তন মিয়া বলেন, এই রাস্তাটি দিয়ে হাওরে মানুষ চলাচল করতো কিন্তু ইটের দেয়াল নির্মাণের ফলে রাস্তাটি বন্ধ হয়ে গেছে। উভয়পক্ষের পারিবারিক সমস্যার কারণেই মূলত এটি হয়েছে।
প্রতিপক্ষ মো. ফজলুর রহমান মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মোবাইলে বলা যাবে না, সামনাসামনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো।
পাইকুড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয়দের সাথে নিয়ে বেশ কয়েকটি দেন-দরবার করেছি কিন্তু উভয়পক্ষের জমিসংক্রান্ত পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে বিষয়টি সমাধান করা সম্ভব হয়নি।
পেমই তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন মুঠোফোনে জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দু'পক্ষকেই শান্ত থাকার অনুরোধ করেছি এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য সানাউল্লাহকে ঘটনাটি সমাধানের জন্য পরামর্শ দিয়েছি।
কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, এবিষয়ে একটি অভিযোগপত্র জমা হয়েছে, তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।