হবিগঞ্জ থেকে শাহ্ মোঃ মামুনুর রহমানঃ
হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মোঃ ওয়াহিদ মিয়া (৩৫) নামে এক রাজমিস্ত্রীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর আহত ওয়াহিদ মিয়া হবিগঞ্জ সদর থানায় নামধারী ৫ জনসহ অঙ্গাত কয়েকজনকে আসামী করে মামলা করেন।
মামলার বিবরনে জানা যায়, সদর উপজেলার রিচি গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে ওয়াহিদ মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রী। কিছুদিন যাবত সে কোর্ট স্টেশন এলাকায় খোশ মহল মসজিদের সংলগ্ন আত্মীয়ের একটি বিল্ডিংয়ে কাজ করতেছে।
কাজের সুবাধে বিল্ডিং এর মালামাল ইট, বালু খোশ মহল এলাকার স-মিলের সামনে খালি জায়গায় রাখেন। এর সূত্র ধরে জুনেদ মোল্লা ও মুহিত মোল্লা নামে ২ ব্যক্তি ঝগড়ার উদ্দেশ্য নিয়ে ওয়াহিদ মিয়ার সাথে অশোভন আচরন শুরু করে।
এর জেরে গত ২ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪ টায় সুলতান মাহমুদপুর এলাকার সফিক মিয়ার হুকুমে জুনেদ মোল্লা, মুহিত মোল্লা, ও দুর্লভপুর এলাকার নাঈম মিয়া, শরিফ মিয়াসহ কয়েকজন ডেগার, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড নিয়ে ওয়াহিদ মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ওয়াহিদ মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্হানে গুরতর রক্তাক্ত জখম হয়।
এর জেরে গত ২ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪ টায় সুলতান মাহমুদপুর এলাকার সফিক মিয়ার হুকুমে জুনেদ মোল্লা, মুহিত মোল্লা, ও দুর্লভপুর এলাকার নাঈম মিয়া, শরিফ মিয়াসহ কয়েকজন ডেগার, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড নিয়ে ওয়াহিদ মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ওয়াহিদ মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্হানে গুরতর রক্তাক্ত জখম হয়।
এসময় ওয়াহিদ মিয়ার প্যান্টের পকেটে রক্ষিত ইট খরিদ এর নগদ ৭৫ হাজার টাকা ও একটি রিয়েলমি সি ৫৩ মডেল মূল্য অনুমান ১৮ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন হামলাকারীরা নিয়ে যায়। পরে তার শোর চিতকার স্হানীয় লোকজন এসে হামলাকারীদের কবল থেকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। এঘটনায় সদর থানায় উল্লেখিতদের আসামি করে। ওয়াহিদ মিয়া মামলা দায়ের করলে আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।