ববি প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় রয়েছে, চরম অব্যবস্থাপনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে গোনা কয়েকটি নিজস্ব বাস বাদ দিলে বাকি সবই বিআরটিসি থেকে ভাড়া নেওয়া- যেগুলোর অধিকাংশই ফিটনেসবিহীন ও নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
ছাদের ফাঁক দিয়ে পানি পড়ে, জানালার কাচ ভাঙা, এমনকি বৃষ্টির দিনে আসনগুলো ভিজে যায়। এমন বাসেই প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয় শিক্ষার্থীদের।
একজন শিক্ষার্থী বলেন, "ভার্সিটির এই বাসগুলো হচ্ছে মুড়ির টিন।" নতুন যুক্ত হওয়া একটি ডাবল ডেকার বাসে সন্তুষ্ট নন তারা। তাদের অভিযোগ, অচল ও পুরনো বাসই বিআরটিসির পক্ষ থেকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনের জন্য।
একজন শিক্ষার্থী বলেন, "ভার্সিটির এই বাসগুলো হচ্ছে মুড়ির টিন।" নতুন যুক্ত হওয়া একটি ডাবল ডেকার বাসে সন্তুষ্ট নন তারা। তাদের অভিযোগ, অচল ও পুরনো বাসই বিআরটিসির পক্ষ থেকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনের জন্য।
প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের কিছু পুরনো বাস এখনো চলছে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে। মাঝরাস্তায় ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও অহরহ। প্রশ্ন উঠেছে- এমন ত্রুটিপূর্ণ ও দুর্বল বাস দিয়ে কীভাবে এত শিক্ষার্থী যাতায়াত করছেন?
সাম্প্রতিক কিছুদিন আগে, শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে। তাতে এক দফায় ছিল পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন। প্রশাসন কিছু রুটে নতুন বাস চালু করলেও মূল সংকট রয়ে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফিটনেসবিহীন বাস সরিয়ে কার্যকর বাস অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। পাশাপাশি সরকারের উচিত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত যানবাহনের ফিটনেস যাচাই করে অনুপযুক্ত বাসগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা।