মুলাদী সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপলোড সময় : ১৭-০৯-২০২৫ ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৯-২০২৫ ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন

মুলাদী প্রতিনিধিঃ

মুলাদী সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেন মল্লিক সহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চাদা দাবী, বসতঘর ভাংচুর করে স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা, গরু-ছাগল, মুরগি লুটের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেন একই এলাকার বেল্লাল সরদারের স্ত্রী জেসমীন বেগম।

আদালতে মামলা সুত্রে জানাগেছে, মুলাদী সদর ইউনিয়নের বজায়শুলী গ্রামের মৃত মুসলেম সরদারের পুত্র বেল্লাল সরদারের বসতবাড়ীতে গিয়ে বিগত ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তার স্ত্রী জেসমীন বেগমের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাদা দাবী করে মন্নাণ মল্লিকের পুত্র মেজবার মল্লিক, মেজবার মল্লিকের পুত্র লিয়ন মল্লিক, কবির হোসেন মল্লিকের পুত্র শাহরিয়া ইমন মল্লিক, মৃত আমির হোসেন মল্লিকের পুত্র চুন্নু মল্লিক। এসময় জেসমীন বেগম চাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে সেখান থেকে চলে যায় তারা।

ঐ দিনই সন্ধা আনুমানিক ৮টার দিকে কবির হোসেন মল্লিকের নির্দেশে মন্নাণ মল্লিকের পুত্র মেজবার মল্লিক, মেজবার মল্লিকের পুত্র লিয়ন মল্লিক, কবির হোসেন মল্লিকের পুত্র শাহরিয়া ইমন মল্লিক, মৃত আমির হোসেন মল্লিকের পুত্র চুন্নু মল্লিক, বজলু মল্লিকের পুত্র রনি মল্লিক, তোফেল মোল্লার পুত্র মোশারেফ মোল্লা, মোশারেফ মোল্লার পুত্র শান্ত মোল্লা, মৃত গহর আলী বেপারীর পুত্র জলিল বেপারী, মতি বেপারী, দুলাল বেপারী, মোয়াজ্জেম বেপারীর পুত্র জিহাদ বেপারী, মতি বেপারীর পুত্র লোকমান বেপারী, মন্নান মল্লিকের পুত্র মিন্টু মল্লিক সহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জনের একটি দল জেসমীনের বাড়ীতে গিয়ে বসতঘর ভাংচুর করে স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা, ৯টি গরু, ৫টি ছাগল, ২০টি মুরগী, ১৭টি রাজহাস লুট করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে জেসমীন বেগম বাদী হয়ে বরিশাল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। লুট হওয়া ৯টি গরু মুলাদী থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে বলে জানাগেছে।



 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]