বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশল নেতা সুদীপ বসাক মাস্টাররোল কর্মচারী থেকে প্রধান প্রকৌশলী! এই শীর্ষ কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে উঠেছে গুরুতর অনি'য়'মের অ'ভি'যোগ।
বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশল নেতা সুদীপ বসাক মাস্টাররোল কর্মচারী থেকে প্রধান প্রকৌশলী! এই শীর্ষ কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে উঠেছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ।
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে গাজীপুরে এসেছেন মোটা অংকের ঘুষ বিনিয়োগ করে।
মাস্টাররোল কর্মচারী থেকে প্রধান প্রকৌশলী। এই যাত্রায় বারবার লঙ্ঘিত হয়েছে নিয়োগবিধি ও জ্যেষ্ঠতা। অভিযোগ উঠেছে প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি করে একের পর এক পদোন্নতি নেওয়ার। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সদ্য পদোন্নতি পাওয়া অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাককে ঘিরে উঠেছে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে মহিউদ্দিন চৌধুরী আমলে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন সুদীপ বসাক। সে সময় তিনি যান্ত্রিক শাখা (পুল) হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে ২০০৯ সালের ২৬ নভেম্বর দৈনিক হাজিরে ভিত্তিক কর্মচারী থেকে নিয়মিত করা হয় উপ সহকারী প্রকৌশলী যান্ত্রিক পুল —যা অভিযোগ অনুযায়ী ছিল চাকরিবিধি লংঘন করে। ৩০/১১/২০০৯ সালে নিয়মিত করন যোগদানের সাত দিনের মাথায় ১/১২/২০০৯ তারিখে সরকারি গাছ চুরির মামলার এজাহার ৭/১২/২০০৯ তারিখে দাখিলকৃত এজাহার ভুক্ত এক নম্বর আসামি হলেও চাকরি যায়নি এই কর্মকার।
আরও জানা যায়, দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করলেও অগ্রোনোগ্রাম ছাড়াই তাকে মাস্টাররোল কর্মচারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশল সমিতি চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিস্ট সরকারের ক্ষমতায় দ্রুতই তিনি বিধিবিধান লঙ্ঘন করে এক বছর নয় মাস ২০ দিনে সহকারী প্রকৌশলী যান্ত্রিক পদে পদোন্নতি পান এবং দশ বছরে আলাদিনের চেরাগে হয়ে যান এই কর্মকর্তা।
এই পদোন্নতির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন মো: আনু মিঞা, চাকরিতে ছয় বছরের সিনিয়র এক প্রার্থী। হাইকোর্ট লরিট পিটিশন ন: ৯৪৬/২০১৯ তা: ২০/১১/২০১৯ তারিখে স্থগিতাদেশ এলেও তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে পদোন্নতি বহাল রেখেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন সুদীপ বসাক।
একাধিকবার চেষ্টা করেও মেলেনি সাক্ষাৎকার
পত্র-পত্রিকায় একাধিক নিউজ হলেও উপরস্থ কর্মকর্তাদের সাথে সক্ষতা রেখে বহাল তবিয়েতে রয়েছেন এই কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যবস্থা না নিয়েই বরাবর পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়েছেন। তার ফলে কাউকে তোয়াক্কা না করে রাম রাজত্ব কায়েম করছেন।
সুদীপ বসাকের অবৈধ অর্থ সম্পদের অনিয়ম ও দুর্নীতির আরও বিস্তারিত নিয়ে থাকছে আমাদের অনুসন্ধানী দ্বিতীয় পর্বে ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Room 3
কমেন্ট বক্স