ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভু'য়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে দেড় কোটি টাকার ভবন- রাণীশংকৈলে ছাত্রশূন্য গাজিরহাট কলেজে অ'ভিনব প্র'তারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৯-০২ ০৮:৪৫:৫৭
ভু'য়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে দেড় কোটি টাকার ভবন- রাণীশংকৈলে ছাত্রশূন্য গাজিরহাট কলেজে অ'ভিনব প্র'তারণা ভু'য়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে দেড় কোটি টাকার ভবন- রাণীশংকৈলে ছাত্রশূন্য গাজিরহাট কলেজে অ'ভিনব প্র'তারণা
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:


ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নে অবস্থিত গাজিরহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ-কে ঘিরে উঠেছে জালিয়াতি ও অভিনব প্রতারণার অভিযোগ। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানে কাগজে-কলমে অধ্যক্ষসহ ৮ জন শিক্ষক ও ৪ জন কর্মচারীর পদ বহাল থাকলেও বাস্তবে এর অস্তিত্ব কেবল নামেই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত কোনো পাঠদান হয় না এবং দরজা-জানালা প্রায় সময়ই বন্ধ থাকে। শিক্ষার্থী সংখ্যা বাস্তবে শূন্যের কোটায় পৌঁছালেও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ১৭৩ জন ভুয়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে বাগিয়ে নেওয়া হয়েছে সরকারি বিশেষ বরাদ্দ।


জানা যায়, স্থানীয় সরকার বিভাগ,জেলা পরিষদ শাখা, বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা (অংশ-৩)-এর ৯৪১ নম্বর স্মারকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একাডেমিক ভবন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রতিষ্ঠানটি ৭ লক্ষ টাকা বিশেষ সরকারি অনুদান হাতিয়ে নিয়েছে। শুধু তা-ই নয়,এই ভুয়া শিক্ষার্থী ও নামসর্বস্ব পেপারের ওপর ভিত্তি করেই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবনের নির্মাণ বরাদ্দও অনুমোদন করিয়ে নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। উপজেলার অন্যান্য সচল ও নিয়মিত টেকনিক্যাল কলেজগুলো অবকাঠামো সংকটে ভুগলেও কীভাবে একটি ছাত্রশূন্য প্রতিষ্ঠানে কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হলো, তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ। সচেতন মহল মনে করছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার অসাধু যোগসাজশ ছাড়া এমন নজিরবিহীন দুর্নীতি সম্ভব নয়। সরকারি তহবিলের এমন অপচয় ও চরম জালিয়াতির বিরুদ্ধে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ সবিরুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান,কলেজে আমার ছাত্র ছাত্রী ১৭৬ জন রয়েছে। কিছু দিন আগে পরিক্ষা হলো।তাই এখন কোন ছাত্র ছাত্রী নেই। এজন্য মাঝে মধ্যে এসে আমি প্রতিষ্ঠান খুলে বসে থাকি।


অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক রফিকুল হক জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি আগে অবগত ছিলাম না। আপনাদের মাধ্যমেই প্রথম জানলাম। খবর নিয়ে দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ