ঠাকুরগাঁওয়ে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সূর্যপুরী আমগাছ মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ঠাকুরগাঁওয়ে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সূর্যপুরী আমগাছ মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
রুবেল ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তে প্রথমবার সমতলের চা বাগান দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। একই সঙ্গে এশিয়ার সবচেয়ে বড় আমগাছ দেখেও প্রশংসা করেছেন তিনি। আজ (৩১আগস্ট) সোমবার দুপুরে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের গ্রীন ফিল্ড টি এস্টেটের সমতল চা বাগান পরিদর্শনে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী ও কয়েকজন সফরসঙ্গী ছিলেন।
বেলা আড়াইটার দিকে সীমান্তে নাগর নদীঘেঁষা চা বাগানে উপ¯ি’ত হন তিনি। সেখানে চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি নিজ হাতে চা পাতা তোলেন এবং ফটোসেশনে অংশ নেন। সাংবাদিকদের রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি প্রথমবার সমতলে চা বাগান দেখছেন। এর আগে শুধু পাহাড়ি অঞ্চলের চা বাগান দেখেছেন। সমতলের চা বাগান ও শ্রমিকদের চা পাতা তোলা দেখে এটি তার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন চা শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রম করে চা পাতা তোলেন। তাদের এ বিষয়ে খুব ভালো ধারণা থাকতে হয়। এখানে না এলে সাদা, সবুজ ও কালো চায়ের মধ্যে পার্থক্য করা তার পক্ষে সহজ হতো না। সমতলের চা বাগান দেখে তার খুব ভালো লেগেছে এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সফর তিনি দারুণভাবে উপভোগ করছেন। পরে তিনি এশিয়ার সর্ববৃহৎ সূর্যপুরী আমগাছ এবং বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার একমাত্র ভারী শিল্প চা কারখানা পরিদর্শন করেন। গ্রীন ফিল্ড টি
এস্টেটের স্বত্বাধিকারী ফয়জুল ইসলাম হিরু জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফরটি ব্যক্তিগত হলেও এখানকার উৎপাদিত গ্রিন টি তার ভালো লেগেছে। এ বিষয়ে তিনি কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন। তার মতে, বর্তমান পরি¯ি’তিতে বাংলাদেশের ‘সুলতান চাথর গ্রিন টি যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
এদিকে, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফরকে ঘিরে পুরো উপজেলায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ¯’ানে প্রায় দুই শতাধিক পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স