জসনে জু'লুস নিয়ে মতবি'রোধ হলে মুজাকারায় বসার আহ্বান তাহেরীর
জসনে জুলুস নিয়ে মতবিরোধ হলে মুজাকারায় বসার আহ্বান তাহেরীর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্বওমী উলামায়ে কেরামদের উদ্দেশে কোনো বাহাস বা চ্যালেঞ্জ নয়, বরং পারস্পরিক আলোচনা ও ধর্মীয় সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের সাংগঠনিক সচিব ও দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি বলেন, ‘আমরা শাব্দিক অর্থের বিবেচনায় ঈদ বলে থাকি। জসনে জুলুসের পদ্ধতি নিয়ে আপনাদের দ্বিমত থাকলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মুজাকারা (مذاكرة)—অর্থাৎ পারস্পরিক
আলোচনা ও মতবিনিময়ের জন্য বসতে আমরা প্রস্তুত।’ তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের ধর্মীয় কার্যক্রম পালনে প্রয়োজনীয় সুযোগ ও স্পেস দেবেন। মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বলেন, ‘আল্লাহর হাবীব হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভ আগমনে আনন্দ মিছিল করা জায়েজ—এ বিষয়ে যদি আমরা দলিল-প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি সাব্যস্ত করতে না পারি, তাহলে জীবনে কখনো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে জসনে জুলুস উদযাপনের নামও নেব না।
’ তিনি আরও বলেন, ধর্ম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কোনো বৈষম্য নয়; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও আলোচনার মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরকে ধর্মীয় সম্প্রীতির শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চান তারা। এ লক্ষ্যে ক্বওমী উলামায়ে কেরামদের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য কোনো পক্ষকে হেয় করা নয়। কুরআন-সুন্নাহ ও শরিয়তের আলোকে বিষয়গুলো নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা করাই আমাদের প্রত্যাশা।
মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ধর্মীয় সম্প্রীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।’ তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, পারস্পরিক আলোচনা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ধর্মীয় সম্প্রীতির শহর হিসেবে গড়ে তোলার পথ তৈরি হবে।’
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স