ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ , ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণপাড়ায় সাত মাধ্যমিক বিদ্যালয় চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে মোঃ অপু খান চৌধুরী।।

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৭-৩১ ১২:০১:২৯
ব্রাহ্মণপাড়ায় সাত মাধ্যমিক বিদ্যালয় চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে মোঃ অপু খান চৌধুরী।। ব্রাহ্মণপাড়ায় সাত মাধ্যমিক বিদ্যালয় চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
নিজস্ব প্রতিবেদক



কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে সাতটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পালন করলেও শিক্ষা কার্যক্রমের গুণগত মান, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণপাড়ায় মোট ৩২টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সহ সাতটি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। ফলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।


প্রধান শিক্ষকবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—চান্দলা কেবি উচ্চ বিদ্যালয়, মহালক্ষ্মীপাড়া শরীফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নাগাইশ জাহিদুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়, সাহেবাবাদ লতিফা ইসমাইল উচ্চ বিদ্যালয়, চৌব্বাস জাহানারা উচ্চ বিদ্যালয়, বাগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণপাড়া ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নানা সীমাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল আউয়াল খান বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে একটি বিদ্যালয় কোনো রকমে পরিচালনা করা সম্ভব হলেও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার জন্য স্থায়ী প্রধান শিক্ষকের কোনো বিকল্প নেই।


বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল করিম বলেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমে হয়ে থাকে। আগে পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হতো, যা এখন বন্ধ রয়েছে। আশা করছি, এনটিআরসিএর নিয়োগ কার্যক্রম অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।


তিনি আরও বলেন, ভারপ্রাপ্ত দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা গেলেও সেটিকে কাঙ্ক্ষিতভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় না। স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ