ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুগদা-মানিকনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে সানির তাণ্ডব: চাঁদাবাজি ও মাদকের স্বর্গরাজ্য, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৭-০৮ ২৩:০১:০৭
মুগদা-মানিকনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে সানির তাণ্ডব: চাঁদাবাজি ও মাদকের স্বর্গরাজ্য, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী মুগদা-মানিকনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে সানির তাণ্ডব: চাঁদাবাজি ও মাদকের স্বর্গরাজ্য, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক



রাজধানীর মুগদা মানিকনগর এলাকায় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও সাধারণ মানুষকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত সানি'র বিরুদ্ধে। ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজেকে সংগঠনটির প্রভাবশালী নেতা পরিচয় দিয়ে পুরো এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ৩ জুলাই (২০২৬) রাতে এক চাকরিজীবীকে মারধর ও তার দামি মোবাইল ফোন ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকায় নতুন করে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।


ভুক্তভোগী প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ৩ জুলাই (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মতিঝিলের কর্মস্থল থেকে কাজ শেষে মানিকনগর বিশ্বরোড সংলগ্ন জবা গলির সামনে দিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় কোনো কারণ ছাড়াই কথিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পরিচয় দানকারী সানি তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলকারী সানি ভুক্তভোগীর হাতে থাকা আনুমানিক ৭০ হাজার টাকা মূল্যের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে রাস্তায় আছড়ে ভেঙে ফেলে।


বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, কোনো নাগরিকের ওপর এভাবে রাস্তায় অতর্কিত হামলা চালানো এবং মালামাল ভাঙচুর করা দণ্ডবিধি অনুযায়ী গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ আইনে নেই। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা।" স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ৫ই আগস্টের আগে সানিকে কখনো মানিকনগর বা মুগদা এলাকার কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দেখা যায়নি। পটপরিবর্তনের পরপরই রাতারাতি সে স্বেচ্ছাসেবক দলের কথিত নেতা বনে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মানিকনগরের এক স্থায়ী বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "এই সানি এখন আমাদের এলাকার জন্য ক্যান্সার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকায় কেউ নতুন বাড়ি নির্মাণ বা সংস্কার করতে গেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে সে।

চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় বা মারধর করা হয়। তার ভয়ে এখন সাধারণ মানুষ মুখ খুলতেও সাহস পায় না।" অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, সানি কেবল চাঁদাবাজি ও মারধরই নয়, বরং মাদক ব্যবসার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, সে টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে ইয়াবার বড় ব

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ