ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ , ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুপুরে ভাত খাওয়ার নামে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিপাহি,ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৬-৩০ ১৮:৫৭:২০
দুপুরে ভাত খাওয়ার নামে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিপাহি,ভিডিও ভাইরাল দুপুরে ভাত খাওয়ার নামে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিপাহি,ভিডিও ভাইরাল
রংপুর প্রতিনিধি:


মাদক মামলার আসামি করা থেকে রেহাই দিতে এবং জব্দকৃত মাদকের পরিমাণ কম দেখাতেদুপুরের ভাত খাওয়ার’ কথা বলে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), রংপুর বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সিপাহি আল-আমিনের বিরুদ্ধে। ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও এবং অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জুন দুপুরে রংপুর বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল মিঠাপুকুর উপজেলার বলদিপুকুর অভিরামনুরপুর গুচ্ছগ্রামে অভিযান চালায়। চোলাইমদ ব্যবসায়ী ও ভ্যানচালক আবজাল হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর খাটের নিচ থেকে ১০ লিটার চোলাইমদ ও ৬০০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ (ওয়াস) জব্দ করা হয়। পরে আবজাল হোসেনকে আটক করে মিঠাপুকুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (খ) সার্কেল অফিসে নিয়ে আসা হয়। আটক আবজাল হোসেনের স্বজনরা মিঠাপুকুর অফিসে এলে অভিযানিক দলের সদস্য সিপাহি আল-আমিন তাঁদের ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করেন।


আবজালের ছেলেদেরও এই মামলায় আসামি করা হবে, এমন হুমকি দিয়ে তিনি ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত মামলা থেকে বাঁচতে এবং জব্দ তালিকায় মাদকের পরিমাণ কম দেখানোর শর্তে সিপাহি আল-আমিনের প্রস্তাবে রাজি হন আবজালের ছেলে আসাদুল এবং সঙ্গে থাকা স্বজনরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ও মোবাইল রেকর্ডিংয়ে দেখা যায়, সিপাহি আল-আমিন দুপুরে লাঞ্চ করার কথা বলে ইতিমধ্যেই ৫ হাজার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করছেন।

অন্যদিকে, তাঁরই মনোনীত আরেক ব্যক্তি মিঠাপুকুর সার্কেল অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে আসাদুলের কাছ থেকে ঘুষের বাকি টাকা গ্রহণ করছেন। ভুক্তভোগী আসাদুল জানান, আমাদের মামলায় আসামি করার ভয় দেখানো হয়েছিল। পরে মামলা থেকে বাঁচতে এবং আলামত কম দেখানোর শর্তে দুপুরে ভাত খাওয়ার জন্য বিকাশে টাকা এনে উনার মনোনীত ব্যক্তিকে দিই। পরে ফোন দিলে উনি টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করেন। ঘুষের অভিযোগ এবং ভাইরাল ভিডিওর বিষয়ে জানতে, সিপাহি আল-আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো অনুতপ্ততা প্রকাশ না করে দম্ভোক্তি দিয়ে বলেন, আমার অনেক সাংবাদিক আছে। আপনারা নিউজ করেন। আমি এখানে চার বছর ধরে আছি।"


বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর বিভাগীয় গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক দিলারা রহমান জানান, বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে এবং পুরো ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রংপুর প্রতিনিধি: তাং ৩০/৬/২৬ নিচে অভিযুক্ত সিপাহি আল আমিন #

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ