ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ধর্ষণসহ পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র আসামি হাসিব চৌধুরী (২১)’কে রাজধানীর লালবাগ এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।*
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ধর্ষণসহ পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র আসামি হাসিব চৌধুরী (২১)’কে রাজধানীর লালবাগ এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।*
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ধর্ষণসহ পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র আসামি হাসিব চৌধুরী (২১)’কে রাজধানীর লালবাগ এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।*
আসামি হাসিব চৌধুরী (২১) ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে ভিকটিমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। অত:পর গত ১১/০২/২০২৪ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১৪:৩০ ঘটিকায় আসামি হাসিব চৌধুরী (২১) ভিকটিম’কে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন চরকমলাপুর এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে এবং ধষর্ণের ভিডিও ও ছবি তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ধারণ করে ও সংরক্ষণ করে। পরবর্তীতে উক্ত ধারণকৃত ভিডিও ও ছবি ওয়েবসাইটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের নিকট ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ টাকা) দাবি করে। ভিকটিম টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় ধারণকৃত ভিডিও ও ছবি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছেড়ে দেয়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার মামলা নং- ৪১, তারিখ- ১১/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৯(খ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) তৎসহ ধারা-৮(১)/৮(২)/৮(৩) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধর্ষণে জড়িত আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ০২/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২০.০৫ ঘটিকায় র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের উক্ত আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ডিএমপি, ঢাকার লালবাগ থানাধীন পলাশীর মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামি হাসিব চৌধুরী (২১), পিতা- লিটন চৌধুরী, সাং- মোল্লারহাট, থানা- হিজলা, জেলা- বরিশাল’কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করে যে, সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। এসময় আসামীর নিকট হতে দুটি স্মার্টফোন, দুটি আইডি কার্ড, বিভিন্ন ব্যাংকের চারটি এটিম কার্ড এবং একটি ইলেক্ট্রিক ভ্যাপ উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স