ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলমিলতা মার্কেটে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ অগ্নিদূর্গতদের ক্ষতিপুরুণ ও পুনর্বাসনে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে -সাইফুল আলম খান মিলন এমপি।

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৫-১৯ ১৬:৫২:১০
কলমিলতা মার্কেটে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ অগ্নিদূর্গতদের ক্ষতিপুরুণ ও পুনর্বাসনে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে -সাইফুল আলম খান মিলন এমপি। কলমিলতা মার্কেটে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ অগ্নিদূর্গতদের ক্ষতিপুরুণ ও পুনর্বাসনে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে -সাইফুল আলম খান মিলন এমপি।
* নিজস্ব প্রতিবেদক : বিজয় স্মরণী কলমিলতা মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশ দাঁড়াতে সরকার, রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি দাতা সংস্থা সহ সমাজের বিত্তবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি আজ সকাল ৭.৩০টায় রাজধানীর বিজয় সরণে মোড় সংলগ্ন কলমিলতা কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও হাতিরঝিল অঞ্চল পরিচালক হেমায়েত হোসেন,জননেতা অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, তেজগাঁও থানার আমীর ও ২৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নো’মান আহমেদী ও সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদ রুবেল প্রমূখ। উল্লেখ্য, ভোর আনুমানিক ৫ টায় ঘটনাস্থলে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বেলা ১০ নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে কাঁচা বাজার, গোস্ত দোকান, মাছ বাজার ও দর্জির দোকান সহ সবকিছু ভষ্মীভূত হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ী হয়ে পড়েছেন সর্বশান্ত। উল্লেখ্য, জামায়াত নেতৃবৃন্দ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে একান্তে কথা বলেন এবং শান্তনা প্রদান করেন। নেতৃবৃন্দ ব্যবসায়িদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের জন্য সম্ভব কিছু করার আশ্বাস দেন। একই সাথে তারা ক্ষতিগ্রস্ত বিপদে ধৈর্যধারণ এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার পরামর্শ দেন। সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, প্রতি বছরই রাজধানী সহ সারাদেশে প্রভূত সংখ্যক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনার পর সরকার বা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বেশ তৎপর মনে হলেও এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না। আমাদের দেশে অগ্নিনির্বাপনে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও নেই। সেকেলে ও প্রচলিত পদ্ধতিতে অগ্নিনির্বাপনের কাজ হওয়ার প্রতি বছরই জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। তিনি ঘটনা তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকার জনগণের জানমাল নিয়ে এভাবে নির্লিপ্ত থাকতে পারে না। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষতিপূরণ ও পূনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান এবং অগ্নিদূর্গতদের জামায়াতের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, সরকার সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন না দিয়ে সংবিধান লংঘন করে দলীয় ব্যক্তিকে প্রশাসক নিয়োগ করেছে। ফলে ডিএনসিসিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হচ্ছে না। আর কোন অনির্বাচিত প্রশাসক দিয়ে নগরীর সমস্যা সমাধান করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তিনি অবিলম্বে সিটি নির্বাচনের দিয়ে নির্বাচিতদের হাতে নগর প্রশাসনের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জামায়াতের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতারও আশ্বাস প্রদান করেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ