ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটলান্টিকের ছোট্ট দ্বীপ কেপ ভার্দের রূপকথা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৫-১৮ ১১:০৫:৪৬
আটলান্টিকের ছোট্ট দ্বীপ কেপ ভার্দের রূপকথা আটলান্টিকের ছোট্ট দ্বীপ কেপ ভার্দের রূপকথা
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
আটলান্টিকের বুকে ছড়িয়ে থাকা ছোট্ট এক দ্বীপ। নকশায় খুঁজতে গেলে হয়তো চোখ এড়িয়ে যাবে। দেশটির নাম কেপ ভার্দে। মাত্র পাঁচ লাখ মানুষের একটি দেশ। বিশ্বের অনেক শহরের জনসংখ্যাও এরচেয়ে বেশি। অথচ সেই ছোট্ট দেশটিই এখন বিশ্বফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে দাঁড়ানোর অপেক্ষায়। বিশ্বকাপ- যে স্বপ্নটা একসময় কেবল টেলিভিশনের পর্দায় দেখত কেপ ভার্দের শিশুরা, সেই স্বপ্নই এখন তাদের নিজের।

‘ব্লু শার্কস’! সমুদ্রঘেরা দ্বীপ দেশের ফুটবল দলটির ডাকনাম যেন তাদের গল্পের মতোই। ছোট্ট, শান্ত, অবহেলিত এক দেশ হঠাৎ করেই গর্জে উঠেছে পুরো বিশ্বের সামনে। এসওয়াতিনিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত হওয়ার রাতটা আজও ভুলতে পারেনি কেপ ভার্দে। সেদিন শহরের রাস্তাগুলোয় শুধু মানুষের ভিড়ই ছিল না, ছিল স্বপ্নের মিছিলও। পরিচিত-অপরিচিত সবাই এক হয়ে গিয়েছিল মহামঞ্চে নিজ দেশের পতাকা ওড়ানোর অপেক্ষায়। কেউ কেঁদেছেন, কেউ চিৎকার করেছেন, কেউ শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকেছেন অবিশ্বাস নিয়ে।

একসময় এ দেশে ফুটবল মানে ছিল ধুলোমাখা রাস্তায় খালি পায়ে ছুটে চলা। স্কুল শেষে বন্ধুর সঙ্গে ছোট্ট বলটিকে লাথি মেরে সূর্য ডোবা দেখা। কিন্তু এখন? ফুটবল মানে পুরো জাতির হৃৎস্পন্দন। সান্তা ক্রুজের একটি মাঠে বিকালের আলো নেমে আসে ধীরে ধীরে। সেখানে অনুশীলন করছে কিশোররা। তাদের চোখে এমন এক অদম্য ইচ্ছা, যা কেবল স্বপ্নবাজদের মধ্যেই দেখা যায়।

১৪ বছর বয়সি ইউরি মার্লে ফার্নান্দেস বলটি পায়ে নিয়ে দৌড়াচ্ছে, যেন সে ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামে খেলছে। তার কণ্ঠে এখন আর কোনো দ্বিধা নেই, ‘আমি বিশ্বকাপ জিততে চাই। আমি খুব দ্রুত দৌড়াতে পারি। আমি গোল করতে পারি। আমা

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ