ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে হাসপাতালের প্রশাসনিক নথিপত্র গায়েবের চেষ্টায় ২ কর্মচারীকে আটক করলো স্থানীয়রা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৫-১০ ১২:২৪:৪৪
কুড়িগ্রামে হাসপাতালের প্রশাসনিক নথিপত্র গায়েবের চেষ্টায় ২ কর্মচারীকে আটক করলো স্থানীয়রা কুড়িগ্রামে হাসপাতালের প্রশাসনিক নথিপত্র গায়েবের চেষ্টায় ২ কর্মচারীকে আটক করলো স্থানীয়রা
 
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 
কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক নথিপত্রসহ দুই কর্মচারীকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটক কর্মচারীদের উদ্ধার করে নিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) বিকালে কুড়িগ্রাম শহরের শাপলা চত্বর সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ নুর নেওয়াজ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
আটক দুই কর্মচারী হলেন- কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালের বর্তমান স্টোরকিপার মোঃ মারজান আলী ও সদ্য সাবেক স্টোরকিপার মোঃ মমিনুল মিয়া। মোঃ মমিনুল মিয়াকে সম্প্রতি ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে।
 
হাসপাতালের কর্মচারীদের অভিযোগ, সম্প্রতি বদলি হওয়া মোঃ মমিনুল মিয়া তার কর্মকালের দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করতে বর্তমান স্টোরকিপারসহ যোগসাজশে নথি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু হাসপাতালের আরও কয়েকজন কর্মচারী টের পাওয়ায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়েছে।
 
নথিপত্রসহ দুই কর্মচারী আটকের খবর পেয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ নুর নেওয়াজ কয়েকজন কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে আটক দুই জনকে উদ্ধার করে নথিপত্রসহ সেখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের এক কর্মচারী বলেন, হাসপাতালের ওষুধ ও বিভিন্ন মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট কেনাকাটায় দুর্নীতি ঢাকতেই সম্প্রতি বদলি হওয়া স্টোরকিপার মোঃ মমিনুল মিয়া বর্তমান স্টোরকিপার মোঃ মারজান আলীকে সঙ্গে নিয়ে সমস্ত নথিপত্র গায়েব করার চেষ্টা করেছে। এর আগে মোমিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ উঠলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সঠিক তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
 
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে নথিপত্র উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। যারা এ কাজ করতে গিয়েছিল তাদের ধরে নিয়ে এসেছি। ইতিমধ্যেই একজনকে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার দিয়েছি এবং বলেছি এই হাসপাতালে আর কখনও না ঢুকতে। অনুমতি ছাড়া নথিপত্র হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যাওয়ায় বর্তমান দায়িত্বে থাকা স্টোরকিপারকে শোকজ করা হবে।’

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ