মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাজিতা শিশুর হাট সংলগ্ন সরকারি ব্রিজ ভাঙার অভিযোগ ।ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মধ্যে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাজিতা শিশুর হাট সংলগ্ন সরকারি ব্রিজ ভাঙার অভিযোগ ।ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মধ্যে।
মোঃ শাহীন হাওলাদার
মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ১নং মাধবখালী ইউনিয়নের শিশুর বাজারের সংযোগ ব্রিজ ভাঙায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে ।
যে কোন সময় ব্রিজের দুই পাড়ের লোকদের মধ্যে সংঘাতের আশংকা রয়েছে। রাতের আঁধারে ব্রিজটির অংশ বিশেষ ভেঙে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে,
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিশুর বাজার সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত ঢালাই ব্রিজটির পাশের রেলিংয়ের বেশ কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এতে ব্রিজটির সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে ও ব্রিজের ভিত নরবড় হয়েছে। এছাড়া সড়ক ও ব্রিজের নির্ধারিত দূরত্ব না মেনে সেখানে জনাব আবুল কালাম আজাদ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। এখন কালাম সাহেবের বিল্ডিং এ দুই তলায় ঊঠার শিড়ি নির্মানের জন্য এই ব্রিজের রেলিং রাতের আধারে স্থানীয় ডেইলি লেবার সুদেব ধোপার দ্বারা ভাংগিয়েছেন কালামের ভাইয়ের ছেলে সাগরের মাধ্যমে।
এ ব্যাপারে কালাম সাহেবকে তার ফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করে নাই।
সাগর সাহেব কে ফোন দিলে বলেন আমি এই ব্রিজ ভাংগার ব্যাপারে কিছু জানি না।
লেবার সুদেব ধোপা কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন কালাম কাকুর ভাইরছেলে আমাকে টাকা দিয়ে ভাংতে বলেছে, আমি ডেইলি লেবার কাম করি তাই আমি রাতে এই ব্রিজের অংশবিষেশ ভেংগেছি।
স্থানীয় বাসিন্দা মজিবুর রহমান বলেন, “ব্রিজটি ভাঙা দেখে আমি শিশু বাজার কমিটির সভাপতি হুমায়ুন ভাইকে জিজ্ঞেস করি। তিনি জানান,সাগর আমাকে বলেছে এলজিইডি অফিস থেকে অনুমতি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।”
এল জি ইডির উপজেলা প্রকৌশলী চন্দন কুমার চক্রবতি এ ব্যাপারে বলেন সরকারী ব্রীজ ভাংগার অধিকার কারো নেই। যদি কেহ ভাংগে তবে সে অন্যায় করেছে।
শিশু বাজার কমিটির সভাপতি হুমায়ুন আহমেদ বলেন, আবুল কালামের ভাতিজা “সাগর আমাকে বলেছিলেন, ব্রিজ থেকে বাড়িতে ওঠানামার সুবিধার জন্য একটি সিঁড়ি নির্মাণ করা হবে। তখন আমি বলেছিলাম, সেখানে তো ব্রিজ রয়েছে। পরে তিনি জানান, এলজিইডি অফিসের অনুমতি নিয়েই কাজ করা হচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে আর কিছু ভাবিনি।”
গত ২৭শে এপ্রিল মির্জাগঞ্জ উপজেলা আইন শৃংখলা মিটিং এ উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এই সরকারী ব্রিজ ভাংগার ব্যাপারে সকলের উদ্দেশ্যে আলোচনা করলেও আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কোন ভুমিকা নেয় নাই।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি সম্পদ নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স