মণিরামপুরে চাঁদাবাজির টাকা ফেরত ইস্যু, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন।
মণিরামপুরে চাঁদাবাজির টাকা ফেরত ইস্যু, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন।
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
নির্বাচনী প্রচারণার সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ভোটের পরের বাস্তবতার মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মিল গড়মিলের প্রশ্ন মণিরামপুরে বর্তমানে ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে। নির্বাচনকালীন সময় ৮৯ যশোর ৫ মনিরামপুর আসনের জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী গাজী এনামুল হক বহুল আলোচিত 'চাঁদাবাজির টাকা আদায় করে ফেরত' দেওয়ার ঘোষণা দেন। নির্বাচিত হওয়ার পর অগ্রগতি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চলছে সমালোচনার ঝড়। এখনো কোন অগ্রগতি চোখে পড়েনি। অথচ এই ঘোষণায় ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষ গাজী এনামুল হককে বিজয়ী করতে মাঠে নামে। নিরব ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হন।
এখনো সেই তালিকা বা টাকা ফেরতের প্রক্রিয়ার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি চোখে পড়ছে না। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন—এই বিশাল প্রতিশ্রুতি কি তবে শুধুই ভোট পাওয়ার কৌশল ছিলো।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেকে ভুক্তভোগী বলেছেন আমরা পরিবর্তনের আশায় জীবন উৎসর্গ করার যে অঙ্গীকার শুনেছিলাম তার বাস্তবায়ন কোথায়? ভোটের পর কি সেই পুরনো নীতির মতোই ঝিমিয়ে গেল?" মণিরামপুরের সাধারণ মানুষ এবং বিগত দিনে যারা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা এখন এই প্রতিশ্রুতির দৃশ্যমান দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছে। তালিকা প্রকাশ করে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা গ্রহণের কোন কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট করার দাবি করেছেন।
পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেওয়া হয়েছে, তার বাস্তবায়ন শুরু হোক এই প্রত্যাশা সকলের।
যদিও এই বিষয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দের আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি, তবে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এক ধরণের হতাশা দানা বাঁধছে। সাধারণ মানুষের ধারণা, দ্রুত এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর মানুষের আস্থার সংকট দেখা দিতে পারে। মণিরামপুরবাসী এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে—নবনির্বাচিত এমপি কি তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন, নাকি এটিও নির্বাচনী ইশতেহারের অন্য দশটি কথার মতোই হারিয়ে যাবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স