নিজস্ব প্রতিবেদক
শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হককে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় বেকসুর খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার ১৪ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় খালাস পেলেও কারামুক্তি মিলছে না তার। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. লিটন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে রায় উপলক্ষে তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তাকে খালাস প্রদান করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে গত ১ এপ্রিল এই মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ওই দিনই মামলার বাদী খলিলুর রহমান আদালতকে বলেন, মোজাম্মেল হকের খালাসে তার আপত্তি নেই। পরে আদালত রায়ের জন্য ৫ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগে করা হয়েছিল, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে মোজাম্মেল হক বাদী খলিলুর রহমানকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পালিত লোকজনদের দিয়ে ধানমণ্ডির অফিসে ডেকে নেন। নির্বাচনী খরচ বাবদ তার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিনের সময় দেন, অন্যথায় তাকে গুম করার হুমকি দেন।
পরবর্তী নির্বাচনে নিজ এলাকা শরীয়তপুরে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়। আওয়ামী সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে বিএম মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।