নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বতীপুর উপজেলার দলাইকোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা মিসেস নাজনীন নাহার এর স্বামী বিশিষ্ট সংগঠক এবং সাংবাদিক তাজুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ আসর মরহুমের নিজ গ্রাম গুড়গুড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর প্রয়াত পিতা গুড়গুড়ি মহিউল উলুম মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আবদুল হক এর কবরের পাশে শায়িত করা হয়। জানাজায় সাংবাদিক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক গন, আপামর জনসাধারণ নানান শ্রেনি পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জানাজায় অংশ নেন।গত ১ এপ্রিল বুধবার রাত ২:২০ মিনিটে পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ার খনিজ শিল্পাঞ্চল এলাকা গুড়গুড়ি নিজ বাড়িতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৩ বছর।
তিনি একাধারে ছিলেন:
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ফুলবাড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব
সহ-সাধারণ সম্পাদক, 'নিরাপদ সড়ক চাই' (নিসচা), ফুলবাড়ী উপজেলা শাখা।
প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক বেসরকারি সংস্থা এসডিএফ (SDF)।
মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা ও দুই বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর এই অকাল প্রস্থানএলাকাবাসীর জন্য জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
উপস্হিত সকলেই মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তার স্মৃতি রোমন্থন করে মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন স্নেহাস্পদ তাজুল ইসলাম তাজ ছিল, উচ্চ শিক্ষিত মার্জিত, বিনয়ী নম্র স্বভাবের নিরহংকারী সাদা মনের ভদ্র মানুষ। তার আকষ্মিক অকাল মৃত্যু একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। তাঁর অকাল মৃত্যুতে বিভিন্ন সাংবাদিক গন, সুধীজন শোকজ্ঞাপন করেছেন।
খন্দকার সুদীপ্ত রহমান
খনিজ শিল্পাঞ্চল দিনাজপুর থেকে
