নিজস্ব প্রতিবেদক
জ্বালানি তেল মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে লালমনিরহাটের সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও অভিযান জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্তে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) ও লালমনিরহাট ১৫ (বিজিবি) ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত সংলগ্ন ফিলিং স্টেশন ও ডিলারদের জ্বালানি তেল উত্তোলন ও বিক্রয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এছাড়া সন্দেহভাজন যানবাহনে আকস্মিক তল্লাশি, নিয়মিত মোবাইল টহল বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন রুটে নজরদারি ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত সম্ভাব্য সিন্ডিকেট সদস্যদের চিহ্নিত করাসহ গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও পাচারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থানীয় জনগণকে নিয়ে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষকে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার “লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় আপসহীন। চোরাচালানমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বিশেষ করে জ্বালানি ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।