ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ , ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি হয়েই মসজিদের ভিত্তিস্থাপন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০২-২৫ ১৩:২০:২৯
এমপি হয়েই মসজিদের ভিত্তিস্থাপন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের এমপি হয়েই মসজিদের ভিত্তিস্থাপন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের
নিজস্ব প্রতিবেদক
তিন কর্মকর্তার শোকজ নোটিশ, বদলি প্রত্যাহার ও অন্যান্য দাবি না মানলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে কলম বিরতিতে যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে সংস্থাটির সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টায় ৩০ তলা বিল্ডিংয়ের নিচে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ব্যানারে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সেখান থেকে অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের সভাপতি একেএম মাসুম বিল্লাহ এ ঘোষণা দেন।

মাসুম বিল্লাহ বলেন, গভর্নর বিভিন্ন স্বৈরাচারী পদক্ষেপ নিয়েছে, এসবের তীব্র নিন্দা জানাই। গতকাল আমাদের তিনজনকে শোকজ নোটিশের জবাব দেওয়ার আগেই বদলি করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি সমাধানের জন্য ওনার কাছে গেলেও উনি দেখা করেন না। তাই আমরা আমাদের শোকজ নোটিশ ও বদলি প্রত্যাহারসহ অন্যান্য দাবি-দাওয়া আজকের মধ্যে বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। যদি তা বাস্তবায়ন না করা হয় তাহলে আগামীকাল থেকে প্রতীকী কলম বিরতিতে যাবো। আর রোববার সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

প্রতিবাদ সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, আমরা চেয়েছি বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন কিন্তু পেয়েছি স্বৈরশাসন। এই স্বৈরশাসনে আমরা থাকতে চাই না। আমাদের কিছু ন্যায্য দাবি নিয়ে বারবার গভর্নরের কাছে গিয়েছিলাম কিন্তু তিনি সেগুলো আমলে নেননি। বরং উনি দমন নিপীড়নের আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে ভড়িয়ে ফেলা হয়েছে। ওনার অনেক উপদেষ্টা ও পরামর্শক প্রয়োজন কিন্তু এখন পর্যন্ত অর্থনীতির জন্য কোনো কার্যকর নীতি গ্রহণ করতে দেখি না। উনি ক্রমাগতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে মনোবল ভেঙে দিচ্ছেন। এছাড়া ব্যাংক খাত নিয়ে যে ধরনের মন্তব্য করে যাচ্ছেন তাতে ব্যাংকিং সেক্টরের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গভর্নরের ইচ্ছামতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলবে না। সবকিছু নিয়ে ওনাকে জবাবদিহি করতে হবে।

এ সময় তিনি শোকজ ও বদলি প্রত্যাহারের দাবি জানান। তা না হলে সবাইকে শোকজ ও বদলির দাবি জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি হেড অব বিএফআইইউ মফিজুর রহমান খান চৌধুরী বলেন, বিগত সাত-আট মাস ধরে ন্যায্য দাবি উত্থাপন করেছি গভর্নরের কাছে। কিন্তু তিনি তা মানেননি। আজ তাই এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করতে হয়েছে। আমরা আশা করি উনি আমাদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া মেনে নেবেন। কোনো অন্যায্য দাবি জানানো হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মর্যাদা রক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।





 

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ