বরিশাল ( ৩ ) মুলাদী হিজলা উন্নয়নের রূপকার চার, চারবার জাতীয় সংসদ সদস্য, গণমানুষের নেতা, আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন মঙ্গু। দীর্ঘ সময় জনগণের সেবা করার সুযোগ পেয়ে মুলাদী হিজলার রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, কালবাট, ব্রিজ,নদী বাঁধ, স্কুল কলেজ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মাদ্রাসাসহ এমন কোন জায়গা নেই যে মোশারফ হোসেন মঙ্গুর উন্নয়নের ছোঁয়া না লেগেছে। গত ১৬ বছর বরিশাল-( ৩ ) আসন হিজলা বাদ দিয়ে মুলাদী বাবুগঞ্জ সংযুক্ত হয়। এই আসনে কখনো জাতীয় পার্টি, কখনো ওয়াকারস পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
কিন্তু ভাগ্যের নিয়তি অত্র এলাকা কিংবা জনগণের কোন ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। হয়তো বছরে ১ বার দেখা হতো ওই সকল সংসদ সদস্যদের। ১৬ বছর পরে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক একটি সরকার নির্বাচিত হন। সেই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি একা ২০৯ আসন সহ জোট নিয়ে ১১৩ আসনে ভূমিধস সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গঠন করেন।
আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। গণতান্ত্রিক সরকারের অংশ হিসাবে সংসদীয় মহিলা সংরক্ষিত আসনে আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন মঙ্গুর সুযোগ্য কন্যা বিশিষ্ট সমাজসেবক চিকিৎসা সেবায় অগ্রণী ভূমিকা রাখা অধ্যাপক ডাঃ জাহানারা লাইজু, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ড্যাব )কেন্দ্রীয় কমিটির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা কে, মুলাদী বাবুগঞ্জ হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ অত্র এলাকার জনগণের একান্ত দাবি নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান।
অত্র এলাকায় উন্নয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি ডাঃ জাহানারা লাইজুর সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হলে উন্নয়ন ধারা আরো বেগমান হবে। তাই সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ডাঃ জাহানারা লাইজুকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা কখন বাস্তবায়ন হবে। ইতিপূর্বে ডাঃ জাহানারা লাইজু নিজ অর্থায়নে অত্র এলাকার গরীব-দুঃখী মেহনতি মানুষের সাহায্য সহযোগিতা করে এসেছেন।
তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সাহায্য সহযোগিতা ও তাদের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন। দলীয় ও জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উদযাপন করেছেন। ডাক্তার হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছে অত্র এলাকা বাসীর আবেদন নিবেদন, নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসাবে ডাঃ জাহানারা লাইজুকে দেখতে চাই।