ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ , ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ রাজু তুহিনের বেলা শেষের কবিতা ঘিরে পাঠক প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০২-২০ ২৩:০৪:১৪
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ রাজু তুহিনের বেলা শেষের কবিতা ঘিরে পাঠক প্রত্যাশা অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ রাজু তুহিনের বেলা শেষের কবিতা ঘিরে পাঠক প্রত্যাশা

স্টাফ রিপোর্টার পঞ্চগড় 

ঢাকা: বাঙালির প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ এ বছর প্রকাশিত হয়েছে তরুণ কবি ও লেখক রাজু তুহিনের দ্বিতীয় যৌথ কাব্যগ্রন্থ “বেলা শেষের কবিতা”। বইটি প্রকাশ করেছে স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান নব সাহিত্য প্রকাশনী। মেলায় প্রকাশনীর স্টল নম্বর ২৩২/২৩৩-এ বইটি পাওয়া যাবে 


রাজু তুহিন ইতোমধ্যে সাহিত্য অঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন। গ্রামীণ আবহ, প্রেম, মানবিক বেদনা, সমাজচেতনা ও জীবনের গভীর উপলব্ধি-তার কবিতার মূল সুর। নতুন যৌথ কাব্যগ্রন্থ “বেলা শেষের কবিতা”-তে একাধিক কবির সৃষ্টিকর্ম এক মলাটে স্থান পেয়েছে, যেখানে সময়, স্মৃতি, ভালোবাসা ও জীবনের শেষ বিকেলের আলো-ছায়া ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে ফুটে উঠেছে। এই যৌথ প্রয়াসে রাজু তুহিনের কবিতাগুলোও পাঠকের হৃদয়ে আলাদা রেখাপাত করবে বলে মনে করছেন সাহিত্যবোদ্ধারা।


এর আগে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ “পথিকের প্রার্থনা” প্রকাশের মাধ্যমে তিনি পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেন। সেই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় যৌথ কাব্যগ্রন্থটি তার সাহিত্যযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কবির লেখায় গ্রামীণ জীবন, মাটির গন্ধ, পারিবারিক আবেগ এবং অন্তর্দহন বিশেষভাবে লক্ষণীয়।


১৯৯৫ সালের ১৭ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন রাজু তুহিন। তার বাবা মোহাম্মদ শাহজাহান মাস্টার এবং মা মমতা বেগম। পারিবারিকভাবে তিনি এক ভাই ও এক বোনের সংসারে বেড়ে ওঠেন। শৈশব থেকেই সাহিত্যচর্চার প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল। ছাত্রজীবনে দেয়ালিকা, ছোট কাগজ ও বিভিন্ন সাময়িকীতে লেখালেখির মাধ্যমে তার সাহিত্যজীবনের সূচনা। পরবর্তীতে সাংবাদিকতা ও সৃজনশীল লেখালেখিকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।


রাজু তুহিনের কবিতায় সহজ-সরল শব্দচয়ন হলেও থাকে গভীর দার্শনিক ব্যঞ্জনা। সমাজের অসঙ্গতি, ভালোবাসার অনিশ্চয়তা এবং মানুষের অন্তর্লীন বেদনা তার লেখায় এক ধরনের নীরব প্রতিবাদের ভাষা পায়। তিনি বিশ্বাস করেন-কবিতা মানুষের আত্মার সঙ্গে আত্মার সংযোগ ঘটায়।


বইমেলায় আগত সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য “বেলা শেষের কবিতা” হতে পারে এক অনন্য সম্মিলিত কাব্যযাত্রা-যেখানে একাধিক কবির ভাবনা, অনুভূতি ও জীবনদর্শন একত্রে মিশে গড়ে তুলেছে কাব্যের এক বহুমাত্রিক আবহ।
সাহিত্যপ্রেমীরা মেলার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্টল ২৩২/২৩৩-এ গিয়ে বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন। তরুণ এই কবির অংশগ্রহণে প্রকাশিত যৌথ কাব্যগ্রন্থটি ইতোমধ্যেই পাঠকমহলে কৌতূহল ও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।


পাঠক নয়ন:
“‘পথিকের প্রার্থনা’ আমাকে ভেতর থেকে নাড়া দিয়েছিল। রাজু তুহিন খুব সহজ ভাষায় জীবনের কঠিন সত্যগুলো বলেন। এখন ‘বেলা শেষের কবিতা’ যেহেতু যৌথ কাব্যগ্রন্থ, তাই এক মলাটে একাধিক কবির ভাবনার সঙ্গে তার কবিতাও পড়তে পারবো-এটা আমার কাছে বাড়তি প্রাপ্তি। আমি আশাবাদী, এই বইতেও তিনি আগের মতোই হৃদয় ছুঁয়ে যাবেন।”


পাঠক দুলাল:
“প্রথম বইয়ে তার চিন্তার গভীরতা ও মানবিক বোধ আমাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি গ্রামবাংলার আবহ, সময়ের নির্মমতা আর সম্পর্কের টানাপোড়েন খুব নিখুঁতভাবে ধরতে পারেন। ‘বেলা শেষের কবিতা’ যৌথ উদ্যোগ—এতে বৈচিত্র্য থাকবে, নতুন স্বাদ থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, রাজু তুহিনের কবিতাগুলো এখানেও আলাদা করে পাঠকের মনে দাগ কাটবে।”


পাঠক শারমিন আক্তার:
“রাজু তুহিনের কবিতায় আবেগের স্বচ্ছতা আছে, আছে এক ধরনের নীরব প্রতিবাদ। ‘পথিকের প্রার্থনা’ পড়ে মনে হয়েছে, তিনি হৃদয়ের গভীর থেকে লেখেন। ‘বেলা শেষের কবিতা’ নামেই একটা বিষণ্ন সৌন্দর্য আছে। আমরা আশায় আছি, এই যৌথ কাব্যগ্রন্থ আমাদের নতুন অনুভূতির ভুবনে নিয়ে যাবে এবং আগের চেয়েও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা দেবে।” পাঠকদের এমন প্রত্যাশা ও ভালোবাসা নতুন এই যৌথ কাব্যগ্রন্থকে ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।


 


নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ