ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ , ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার যদি এহনা জায়গা আর ঘর করি দেয়, তাহলে ভালো হইতো


আপডেট সময় : ২০২৬-০১-১৩ ২০:২৯:৪৬
সরকার যদি এহনা জায়গা আর ঘর করি দেয়, তাহলে ভালো হইতো সরকার যদি এহনা জায়গা আর ঘর করি দেয়, তাহলে ভালো হইতো
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 
‘গাছের তলত, মানুষের জায়গাত, ভাঙা টিনের ঘরত থাকি। যে শীত ও ঠান্ডা ঘরত থাকা যায় না। স্বামী নাই, কাউ হামাক দেখে না। মানুষের বাড়িত কাজ করি খাই। যেদিন কাজে যাই সেদিন খাই। যেদিন না যাই, সেই দিন কষ্টে থাকি। সরকার যদি এহনা জায়গা আর ঘর করি দেয় তাহলে ভালো হইতো।’
 
এ কথাগুলো বলছিলেন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের সদ্দারপাড়া এলাকার বিধবা মোছাঃ রাবেয়া বেগম (৫৬)। স্বামীকে হারিয়ে এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন তিনি। একাই ছোট্ট একটি ভাঙা টিনের ঘরটি পলিথিন, কাঠ, পাটখড়ির বেড়া দিয়ে বসবাস করছেন।
 
মোছাঃ রাবেয়া বেগম বলেন, স্বামী চার থেকে পাঁচ বছর আগে মারা যাওয়ায় মানুষের বাড়িত কাজ করি। এহনা বিধবা ভাতার কার্ড আছে। সেই ভাতা দিয়ে কি আর চলে? মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। মেয়ে আর বেশি খোঁজখবর নেয় না।
 
মোছাঃ রাবেয়া বেগমের জেঠাতো ভাই মোঃ আবু বক্কর মিয়া বলেন, আমার বোন জামাই মারা যাওয়ার পর খুব কষ্টে আছে আমরা সহায়তা করতে পারি না। আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নেই।
 
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, রাবেয়া আমার জায়গায় এহনা ঘর করি আছে। অনেক কষ্ট করছেন তিনি। তার একটি মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মেয়েও ঠিকমতো খোঁজ খবর নেয় না। মেয়ের সংসারের অনেক ঝামেলা হতো এই কারণে মায়ের হয়তো খোঁজ খবর নেয় না। তাকে সরকারি সহযোগিতা করলে তার শেষ বয়সটা ভালো কাটতো।
 
উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহামুদুল হাসান বলেন, আমি আপনার কাছে বিষয়টি শুনলাম। আমাকে তার ঠিকানা দেন তার খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ