এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ শিক্ষার্থীর এমন আচরণের প্রতিবাদ করলে তার সঙ্গেও অসদাচরণ করা হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে তালাটি খুলে দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, "এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও শৃঙ্খলাবিরোধী ঘটনা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলে, "ম্যাডাম দুই-তিন বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপের সুযোগ দিয়েছেন। আমরা বলেছি, আমরা সাত বিষয়ে ফেল করেছি-আমাদেরও সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় আমি একটি কক্ষে তালা দিয়েছি।"
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীর বাবা, যিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে, জানান-ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে ছেলে যদি এমন কাজ করে থাকে, তা নিঃসন্দেহে নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি সন্ত্রাসী বা শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রম ঘটে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করব।”
ঘটনাটি শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা, নিয়মনীতি ও শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতির বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।