ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ , ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্ব বিরোধের জের কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাশের বাড়ি যাওয়াকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে জখম থানায় অভিযোগ


আপডেট সময় : ২০২৫-১০-৩০ ২২:৩১:৪৫
পূর্ব বিরোধের জের কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাশের বাড়ি যাওয়াকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে জখম থানায় অভিযোগ পূর্ব বিরোধের জের কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাশের বাড়ি যাওয়াকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে জখম থানায় অভিযোগ

 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে ছোট শিশু সাঈদি ইসলাম (২) পাশের বাড়িতে খেলতে যাওয়া কে কেন্দ্র করে একই পরিবারের তিন জনকে আহত ও এক জনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আহতরা হলেন শিউলি বেগম (৪০), জান্নাতি আক্তার (১১), তোফাজ্জল (৫৫) ও এনতাজ আলী (৭০)। এ ঘটনায় তোফাজ্জল মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাতে উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের সন্তোষ অভিরাম এলাকায়।



অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের সন্তোষ অভিরাম এলাকার তোফাজ্জল (৫৫) এর সাথে প্রতিবেশী আলী হোসেন (২৫) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে বিবাদীগণ তোফাজ্জল ও তার পরিবাবারের লোকজনদের জীবন নাশ সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল। এ অবস্থায় প্রতিবেশী মমিনুল ইসলামের বাড়িতে প্রায় সময় তোফাজ্জলের পরিবারের লোকজন আসা-যাওয়া করতেন।



এদিকে প্রতিবেশী মমিনুলের সহিত ২নং বিবাদী আলী হোসেনের পারিবারিক বিবাদ দীর্ঘদিন ধরে আসছিল। মমিনুলের বাড়িতে আমার পরিবারের লোকজনের আসা-যাওয়ায় সন্দেহ হলে গত ২৮ অক্টোবর রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও গালাগালি হলে বিবাদী আলী হোসেনসহ তার লোকজন লাঠি সোডা, লোহার রড ও ধারালা ছুরি সহ দেশিয় অস্ত্র দিয়ে তোফাজ্জল ও তার স্ত্রী শিউলি বেগমের উপর এলোপাথারী মারপিট করে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে।



এসময় ৫ম শ্রেনিতে পড়ুয়া মেয়ে জান্নাতি আক্তার ও তার বাবা এনতাজ আলী তাদেরকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাদেরকেও এলোপাথারী মারপিট করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ ঘটনার পরের দিন ২৯ অক্টোবর রাতে তোফাজ্জল (৫৫) বাদী হয়ে আলী হোসেন সহ নামীয় ৬ জনের বিরুদ্ধে উলিপুর থানায় অভিযোগ করেন।


তোফাজ্জলের স্ত্রী শিউলি বেগম (৪০) বলেন, আসামীদের এলোপাথারী মারপিটের কারনে আমার মাথায় ৮টি সেলাই দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আমার মেয়েকে, স্বামীকে ও শশুরকে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।


উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহেরুল ইসলাম জানান, গুরুতর আহত ব্যাক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা সুস্থ আছেন। 


উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিল্লুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।


 


নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ