ব্রাহ্মণপাড়া ইউপি সদস্যের বাড়ির ছাদ থেকে ১০০ কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার
আপডেট সময় :
২০২৫-১০-২১ ০০:৩৬:৪৫
ব্রাহ্মণপাড়া ইউপি সদস্যের বাড়ির ছাদ থেকে ১০০ কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার
মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় এসআই মেহেদী হাসান জুয়েল, এএসআই সামছুদ্দিন ও ফোর্সসহ গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে শশীদল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার শশীদল উওর পাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের বাড়ির ছাদ ও পুকুরের পাড় থেকে ১০০ কেজি গাঁজাসহ কাউছার নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ব্রাহ্মণপাড়া থানা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে শশীদল ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের মেম্বার নুরুল ইসলামের বাড়ির ছাদ ও পুকুর পাড় থেকে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ ছাদের উপর গাঁজা শুকানো অবস্থায় একজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি হলেন শশীদল ইউনিয়ন উওর পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাকিম এর ছেলে কাউছার (৩০)। অপর দিকে থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শশীদল ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম পালিয়ে যায়।
জানতে চাইলে শশীদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান রিয়াদ বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মাদকের সাথে আমি আপোষ করি না, যারা মাদকের সাথে সম্পৃক্ত সে যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনার দরকার।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমিসহ অভিযান চালিয়ে ইউপি সদস্যের বাড়ির ছাদ ও পুকুর পাড় থেকে ১০০ কেজি গাঁজার সহ একজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই এ ঘটনায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছে।
ঋণের বোঝা সইতে না পেরে এক যুবকের আত্মহত্যা
মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ঋণের বোঝা সইতে না পেরে জসীমউদ্দীন (৪৫) নামে ১ যুবক আত্মহত্যা করেছে। গতকাল ২০ আগস্ট (সোমবার) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে নিমসার নামক স্থানে তার মৃত্যু হয়। জসীমউদ্দীন উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জসীমউদ্দীন বিভিন্ন এনজিও এবং মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঋণগ্রস্ত ছিল। ঋণগ্রস্ত জসিম উদ্দিন পাওনাদারের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে গত ১৯ অক্টোবর বিকেলে কীটনাশক পান করলে পরিবারের লোকজন তাকে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে কুমিল্লা মেডিকেলে হাসপাতালে প্রেরণ করে। ২০ অক্টোবর তার অবস্থা আরো অবনতি ঘটলে কুমেকের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। ঢাকা নেওয়ার পথে নিমসার নামক স্থানে তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন একই অ্যাম্বুলেন্সে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসলে ব্রাহ্মণপাড়া থানাতে খবর দিলে এসআই ডি এম এ মজিদ উপস্থিত হয়ে তার সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
ব্যাপারে মৃত জসীমউদ্দীনের স্ত্রী মমতাজ বেগম ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু দায়ের করেছে। জসীমউদ্দীন ব্যক্তিগত জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। এ ব্যাপারে তার স্ত্রী মমতাজ বেগম জানান, সে বিভিন্ন এনজিও এবং মানুষের কাছ থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকা ঋণগ্রস্ত ছিলেন। ঋণের বোঝা সইতে না পেরে সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স