ঢাকা , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ , ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৬৭ লাখের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


আপডেট সময় : ২০২৫-১০-১৮ ২৩:২৪:৫৩
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৬৭ লাখের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৬৭ লাখের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
জেলা প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ ঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হক বলেন, তারেক রহমান  দীর্ঘ ১৭ বছর নির্যাতিত ছিলেন। তবুও তিনি মানুষের  অধিকার নিয়ে ভাবতেন। রাষ্ট্র নিয়ে ভাবতেন। গত বছরের ৫ আগষ্টের পর দেশ ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্তি পেলে মানুষ তার অধিকার ফিরে পায়। ভোটাধিকার ফিরে পায়। তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ৩১ দফা জাতীর ভাগ্য পরিবর্তনের দফা। ৩১ দফা  ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে কাজ করছি।


আনিসুল হক সুনামগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যখন জেলে আমরা তখন আন্দোলন গড়ে তুলি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের নেতারা  সেদিন আমাকে মাঠে বক্তব্য দিতে দেয়নি। বাক স্বাধীনতা হরন করা হয়।আজ আমরা স্বাধীন।  প্রতিবাদ করতে পারি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে মাঠ থেকে সরে যাইনি।  আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগির বীরের বেশে দেশে ফিরে আসবেন।  

 আজ শনিবার দুপুরে তাহিরপুর উপজেলা স্টেডিয়াম মাঠে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও লিফলেট বিতরণ শেষে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। 
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালিক বিদ্যালয়ের ফিক্সড ডিপোজিট (FDR) ভেঙে ও বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৬৭ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সিলেটের বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে, এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নেন।
সাবেক শিক্ষক অধীর চন্দ্র নাথের দেওয়া তথ্য ও ব্যাংক সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার দাবি জানান আয়োজকরা। তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মনীতি না মেনে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অর্থ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়ম করেছেন, যা বিদ্যালয়ের ৮২ বছরের সুনাম ও শিক্ষার মানকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
উপস্থিত বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালিক অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আন্দোলনকারীদের কাছে “অনৈতিক প্রস্তাব” দেন এবং রাজি না হওয়ায় তাদের “মামলার হুমকি” দেন।

আয়োজকরা চারটি মূল দাবি তুলে ধরেন:

১. অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি গঠন।
২. স্বচ্ছ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত পরিচালনা।
৩. তদন্ত চলাকালে প্রধান শিক্ষককে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান।
৪. দোষ প্রমাণিত হলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
তারা বলেন, এই আন্দোলন কারও ব্যক্তিগত বিরুদ্ধে নয়; বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাক্ষেত্রের পবিত্রতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রয়াস।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা, প্রাক্তন শিক্ষক এবং সিলেটের বিভিন্ন স্তরের সচেতন নাগরিকরা।
বক্তব্যে একাধিকবার উল্লেখ করে বলা হয়, "আমরা প্রধান শিক্ষক খালিক সাহেবের বিরুদ্ধে নয়, তাঁর আর্থিক কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে। আমরা চাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোক স্বচ্ছতার প্রতীক, দুর্নীতির আশ্রয়স্থল নয়।"

বার্তা প্রেরক
সাইফুর রহমান তালুকদার
সাধারণ সম্পাদক
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাI


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ